ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে কি বাড়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি? যা বলছে গবেষণা ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত ৪ হাজার ছাড়াল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের ঢামেককে মানবিক নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের আহ্বান জুবাইদা রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে রাজি হননি শেখ মুজিব: স্পিকার কাল প্রকাশ হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল, জানুন দেখার উপায় বস্তাবন্দি স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার: বাবাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে, টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ ‘৫ আগস্ট সেনাবাহিনী নীরব থাকলে গৃহযুদ্ধের ঝুঁকি ছিল’: আব্দুল হক বন্যার পানিতে ভেসে তিন শিশুর মৃত্যু, উদ্ধার মরদেহ

ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / 21

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১১ জুলাই) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের শুরুতে তিনি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে তার।

শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

আরও পড়ুন  দীর্ঘ ৩৫ বছর পর পুরুষ সরকারপ্রধান পাচ্ছে বাংলাদেশ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া তিনি আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় নেতাকর্মী, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল, স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে অভ্যর্থনা জানান।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের উদ্দেশে রওনা দেয়। শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। নেতাকর্মীদের উপস্থিতির কারণে গাড়িবহরের গতি কিছুটা কমে যায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়। হাসপাতাল ও কলেজসংলগ্ন ফুটপাত থেকে ভ্রাম্যমাণ হকার, অস্থায়ী খাবারের দোকান, স্টেশনারি ব্যবসা এবং অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন পর ফুটপাত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে এবং যানজটও কিছুটা কমেছে। রোগীর স্বজন, পথচারী ও সাধারণ মানুষ এ উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাদের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও গতি পাবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা স্মরণীয়।

তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিজ ক্যাম্পাসে এসেছেন, যা বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য আবেগঘন এবং আনন্দের উপলক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৪৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১১ জুলাই) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের শুরুতে তিনি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে তার।

শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

আরও পড়ুন  রাসিক প্রশাসকের ফ্রান্স সফর বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া তিনি আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় নেতাকর্মী, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল, স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে অভ্যর্থনা জানান।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের উদ্দেশে রওনা দেয়। শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। নেতাকর্মীদের উপস্থিতির কারণে গাড়িবহরের গতি কিছুটা কমে যায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়। হাসপাতাল ও কলেজসংলগ্ন ফুটপাত থেকে ভ্রাম্যমাণ হকার, অস্থায়ী খাবারের দোকান, স্টেশনারি ব্যবসা এবং অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন পর ফুটপাত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে এবং যানজটও কিছুটা কমেছে। রোগীর স্বজন, পথচারী ও সাধারণ মানুষ এ উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাদের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও গতি পাবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা স্মরণীয়।

তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিজ ক্যাম্পাসে এসেছেন, যা বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য আবেগঘন এবং আনন্দের উপলক্ষ।