ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত করে পড়বেন?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / 120

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। এই সময়ে মুমিন-মুসলমানদের মনে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও রাকাত সংখ্যা নিয়ে নানা কৌতূহল জাগে।

তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো রাকাত সংখ্যা নেই। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, এই নামাজের কোনো সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারিত করা হয়নি। তবে সাধারণত ২, ৪, ৬ বা ৮ রাকাত পড়ার পর শেষে বিতর পড়ে নামাজ শেষ করাই উত্তম।

হজরত সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের রাতের বেলা কম বা বেশি নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং রাতের শেষ নামাজ হিসেবে বিতর পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ হলো রাতে ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়া। সাধারণত রাতের এক চতুর্থাংশ ঘুমানোর পর এই নামাজ পড়া হয়। এশার নামাজের পর থেকে ফজর পর্যন্ত যেকোনো সময় এই নামাজ পড়া গেলেও শেষ রাতে পড়া সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, মহান আল্লাহ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বান্দাদের ডাকতে থাকেন। তিনি বলেন, কে আছো যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছো যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব? কে আছো ক্ষমা প্রার্থনাকারী যাকে আমি ক্ষমা করে দেব?

কিয়ামুল লাইল ও তাহাজ্জুদের পার্থক্য

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে কিয়ামুল লাইল এবং তাহাজ্জুদ কি আলাদা কিছু? মূলত পবিত্র কোরআনে রাতের ইবাদতকে কিয়ামুল লাইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাধারণ অর্থে তাহাজ্জুদ নামাজকেই বোঝায়। এটি একটি ঐচ্ছিক বা নফল ইবাদত যা বান্দাকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী করে।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য তাহাজ্জুদ শুধু একটি ইবাদত নয়, বরং এটি মহান রবের সঙ্গে একান্ত আলাপের এক বিশেষ সুযোগ। তাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাকাত সংখ্যা নির্ধারণ করে একাগ্রতার সঙ্গে এই নামাজ আদায়ের পরামর্শ দিয়েছেন আলেমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত করে পড়বেন?

আপডেট সময় ০৩:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। এই সময়ে মুমিন-মুসলমানদের মনে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও রাকাত সংখ্যা নিয়ে নানা কৌতূহল জাগে।

তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো রাকাত সংখ্যা নেই। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, এই নামাজের কোনো সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারিত করা হয়নি। তবে সাধারণত ২, ৪, ৬ বা ৮ রাকাত পড়ার পর শেষে বিতর পড়ে নামাজ শেষ করাই উত্তম।

হজরত সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের রাতের বেলা কম বা বেশি নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং রাতের শেষ নামাজ হিসেবে বিতর পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  রমজানে নিরাপত্তা জোরদার: থাকছে না ‘ডেভিল হান্ট’ নাম, তবে অভিযান চলবে

তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ হলো রাতে ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়া। সাধারণত রাতের এক চতুর্থাংশ ঘুমানোর পর এই নামাজ পড়া হয়। এশার নামাজের পর থেকে ফজর পর্যন্ত যেকোনো সময় এই নামাজ পড়া গেলেও শেষ রাতে পড়া সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, মহান আল্লাহ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বান্দাদের ডাকতে থাকেন। তিনি বলেন, কে আছো যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছো যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব? কে আছো ক্ষমা প্রার্থনাকারী যাকে আমি ক্ষমা করে দেব?

কিয়ামুল লাইল ও তাহাজ্জুদের পার্থক্য

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে কিয়ামুল লাইল এবং তাহাজ্জুদ কি আলাদা কিছু? মূলত পবিত্র কোরআনে রাতের ইবাদতকে কিয়ামুল লাইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাধারণ অর্থে তাহাজ্জুদ নামাজকেই বোঝায়। এটি একটি ঐচ্ছিক বা নফল ইবাদত যা বান্দাকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী করে।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য তাহাজ্জুদ শুধু একটি ইবাদত নয়, বরং এটি মহান রবের সঙ্গে একান্ত আলাপের এক বিশেষ সুযোগ। তাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাকাত সংখ্যা নির্ধারণ করে একাগ্রতার সঙ্গে এই নামাজ আদায়ের পরামর্শ দিয়েছেন আলেমরা।