ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা: ক্যারিবীয় সাগরের ছোট দ্বীপরাষ্ট্র আপিল বিভাগের রায়,অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বিসিবির নারী উইমেন্স কাপ’ আয়োজনের ঘোষণা সিআইডিতে নতুন ভেস্ট বিতরণ,কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে কর্মকর্তার পরিচয় ২০ ইসরায়েলি গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করল ইরান এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে স্ত্রী ও সন্তানের সাথে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস আকাশসীমা সংকট: শাহজালালে ৫০০ ফ্লাইট বাতিল ভাতার তালিকায় স্বচ্ছতা ফেরানোর ঘোষণা: পাবে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা প্রতিমন্ত্রী ফারজানা মধ্যপ্রাচ্যে ১৬তম দিনে: দুবাই ও কুয়েতে ভয়াবহ হামলা, উত্তাল উপসাগরীয় অঞ্চল ১৬ বছরের ডাউম্যান-ম্যাজিক,আর্সেনাল পাচ্ছে শিরোপার গ্ৰান

তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত করে পড়বেন?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / 17

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। এই সময়ে মুমিন-মুসলমানদের মনে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও রাকাত সংখ্যা নিয়ে নানা কৌতূহল জাগে।

তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো রাকাত সংখ্যা নেই। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, এই নামাজের কোনো সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারিত করা হয়নি। তবে সাধারণত ২, ৪, ৬ বা ৮ রাকাত পড়ার পর শেষে বিতর পড়ে নামাজ শেষ করাই উত্তম।

হজরত সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের রাতের বেলা কম বা বেশি নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং রাতের শেষ নামাজ হিসেবে বিতর পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  রমজানে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে কর্মকর্তাদের প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ

তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ হলো রাতে ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়া। সাধারণত রাতের এক চতুর্থাংশ ঘুমানোর পর এই নামাজ পড়া হয়। এশার নামাজের পর থেকে ফজর পর্যন্ত যেকোনো সময় এই নামাজ পড়া গেলেও শেষ রাতে পড়া সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, মহান আল্লাহ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বান্দাদের ডাকতে থাকেন। তিনি বলেন, কে আছো যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছো যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব? কে আছো ক্ষমা প্রার্থনাকারী যাকে আমি ক্ষমা করে দেব?

কিয়ামুল লাইল ও তাহাজ্জুদের পার্থক্য

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে কিয়ামুল লাইল এবং তাহাজ্জুদ কি আলাদা কিছু? মূলত পবিত্র কোরআনে রাতের ইবাদতকে কিয়ামুল লাইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাধারণ অর্থে তাহাজ্জুদ নামাজকেই বোঝায়। এটি একটি ঐচ্ছিক বা নফল ইবাদত যা বান্দাকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী করে।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য তাহাজ্জুদ শুধু একটি ইবাদত নয়, বরং এটি মহান রবের সঙ্গে একান্ত আলাপের এক বিশেষ সুযোগ। তাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাকাত সংখ্যা নির্ধারণ করে একাগ্রতার সঙ্গে এই নামাজ আদায়ের পরামর্শ দিয়েছেন আলেমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত করে পড়বেন?

আপডেট সময় ০৩:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। এই সময়ে মুমিন-মুসলমানদের মনে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও রাকাত সংখ্যা নিয়ে নানা কৌতূহল জাগে।

তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো রাকাত সংখ্যা নেই। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, এই নামাজের কোনো সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারিত করা হয়নি। তবে সাধারণত ২, ৪, ৬ বা ৮ রাকাত পড়ার পর শেষে বিতর পড়ে নামাজ শেষ করাই উত্তম।

হজরত সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের রাতের বেলা কম বা বেশি নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং রাতের শেষ নামাজ হিসেবে বিতর পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  রমজানে ফলের দাম নিয়ন্ত্রণে এনবিআরের শুল্ক-কর হ্রাস

তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ হলো রাতে ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়া। সাধারণত রাতের এক চতুর্থাংশ ঘুমানোর পর এই নামাজ পড়া হয়। এশার নামাজের পর থেকে ফজর পর্যন্ত যেকোনো সময় এই নামাজ পড়া গেলেও শেষ রাতে পড়া সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, মহান আল্লাহ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বান্দাদের ডাকতে থাকেন। তিনি বলেন, কে আছো যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছো যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব? কে আছো ক্ষমা প্রার্থনাকারী যাকে আমি ক্ষমা করে দেব?

কিয়ামুল লাইল ও তাহাজ্জুদের পার্থক্য

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে কিয়ামুল লাইল এবং তাহাজ্জুদ কি আলাদা কিছু? মূলত পবিত্র কোরআনে রাতের ইবাদতকে কিয়ামুল লাইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাধারণ অর্থে তাহাজ্জুদ নামাজকেই বোঝায়। এটি একটি ঐচ্ছিক বা নফল ইবাদত যা বান্দাকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী করে।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য তাহাজ্জুদ শুধু একটি ইবাদত নয়, বরং এটি মহান রবের সঙ্গে একান্ত আলাপের এক বিশেষ সুযোগ। তাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাকাত সংখ্যা নির্ধারণ করে একাগ্রতার সঙ্গে এই নামাজ আদায়ের পরামর্শ দিয়েছেন আলেমরা।