ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
১৯ এপ্রিল ২০২৬ : আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম শেয়ারে রিকশা ও সিএনজি রাইড: বুয়েট শিক্ষার্থীদের নতুন অ্যাপ ‘জাইগো’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধ করে খুন হাজিদের জন্য নুসুক কার্ড বাধ্যতামূলক করে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা ইন্টারনেট বন্ধ ও হত্যাযজ্ঞ মামলা: জয়-পলকের বিরুদ্ধে আজ বিটিসিএল কর্মকর্তার সাক্ষ্য টাইব্রেকারে আতলেতিকোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রিয়াল সোসিয়েদাদ দুই দশক পর কাল পৈতৃক ভিটায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সিনপো থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ রাখার ঘোষণা ইরানের জাবিতে হলে মাদক সেবনের সময় ছাত্রী আটক

তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত করে পড়বেন?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / 61

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। এই সময়ে মুমিন-মুসলমানদের মনে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও রাকাত সংখ্যা নিয়ে নানা কৌতূহল জাগে।

তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো রাকাত সংখ্যা নেই। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, এই নামাজের কোনো সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারিত করা হয়নি। তবে সাধারণত ২, ৪, ৬ বা ৮ রাকাত পড়ার পর শেষে বিতর পড়ে নামাজ শেষ করাই উত্তম।

হজরত সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের রাতের বেলা কম বা বেশি নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং রাতের শেষ নামাজ হিসেবে বিতর পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল থেকে রোজা শুরু

তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ হলো রাতে ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়া। সাধারণত রাতের এক চতুর্থাংশ ঘুমানোর পর এই নামাজ পড়া হয়। এশার নামাজের পর থেকে ফজর পর্যন্ত যেকোনো সময় এই নামাজ পড়া গেলেও শেষ রাতে পড়া সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, মহান আল্লাহ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বান্দাদের ডাকতে থাকেন। তিনি বলেন, কে আছো যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছো যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব? কে আছো ক্ষমা প্রার্থনাকারী যাকে আমি ক্ষমা করে দেব?

কিয়ামুল লাইল ও তাহাজ্জুদের পার্থক্য

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে কিয়ামুল লাইল এবং তাহাজ্জুদ কি আলাদা কিছু? মূলত পবিত্র কোরআনে রাতের ইবাদতকে কিয়ামুল লাইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাধারণ অর্থে তাহাজ্জুদ নামাজকেই বোঝায়। এটি একটি ঐচ্ছিক বা নফল ইবাদত যা বান্দাকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী করে।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য তাহাজ্জুদ শুধু একটি ইবাদত নয়, বরং এটি মহান রবের সঙ্গে একান্ত আলাপের এক বিশেষ সুযোগ। তাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাকাত সংখ্যা নির্ধারণ করে একাগ্রতার সঙ্গে এই নামাজ আদায়ের পরামর্শ দিয়েছেন আলেমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত করে পড়বেন?

আপডেট সময় ০৩:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। এই সময়ে মুমিন-মুসলমানদের মনে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও রাকাত সংখ্যা নিয়ে নানা কৌতূহল জাগে।

তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো রাকাত সংখ্যা নেই। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, এই নামাজের কোনো সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারিত করা হয়নি। তবে সাধারণত ২, ৪, ৬ বা ৮ রাকাত পড়ার পর শেষে বিতর পড়ে নামাজ শেষ করাই উত্তম।

হজরত সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের রাতের বেলা কম বা বেশি নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং রাতের শেষ নামাজ হিসেবে বিতর পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  শবে কদরের রাতে যে ৫টি আমল অবশ্যই করবেন

তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ হলো রাতে ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়া। সাধারণত রাতের এক চতুর্থাংশ ঘুমানোর পর এই নামাজ পড়া হয়। এশার নামাজের পর থেকে ফজর পর্যন্ত যেকোনো সময় এই নামাজ পড়া গেলেও শেষ রাতে পড়া সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, মহান আল্লাহ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বান্দাদের ডাকতে থাকেন। তিনি বলেন, কে আছো যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছো যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব? কে আছো ক্ষমা প্রার্থনাকারী যাকে আমি ক্ষমা করে দেব?

কিয়ামুল লাইল ও তাহাজ্জুদের পার্থক্য

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে কিয়ামুল লাইল এবং তাহাজ্জুদ কি আলাদা কিছু? মূলত পবিত্র কোরআনে রাতের ইবাদতকে কিয়ামুল লাইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাধারণ অর্থে তাহাজ্জুদ নামাজকেই বোঝায়। এটি একটি ঐচ্ছিক বা নফল ইবাদত যা বান্দাকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী করে।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য তাহাজ্জুদ শুধু একটি ইবাদত নয়, বরং এটি মহান রবের সঙ্গে একান্ত আলাপের এক বিশেষ সুযোগ। তাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাকাত সংখ্যা নির্ধারণ করে একাগ্রতার সঙ্গে এই নামাজ আদায়ের পরামর্শ দিয়েছেন আলেমরা।