ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলেন আপিল বিভাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / 160

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটল।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন। এই আদেশের ফলে বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিদেশি কোম্পানির চুক্তির চলমান প্রক্রিয়াটি আইনিভাবে বৈধ থাকল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট এই সংক্রান্ত একটি রুল খারিজ করে রায় দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, ২০১৭ সালের প্রকিউরমেন্ট পলিসি ও সমঝোতা স্মারকের অধীনেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে সরাসরি দক্ষ কোম্পানি বাছাই করার আইনি সুযোগ রয়েছে। আদালত তখন অভিমত দিয়েছিলেন যে, যেহেতু এখনো চূড়ান্ত কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি, তাই রিটটি আইনিভাবে ‘অপরিপক্ব’। যুব অর্থনীতি ফোরামের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হাসান গত বছর এই প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থে রিটটি করেছিলেন।

আরও পড়ুন  অবসরপ্রাপ্ত ১৪৭ ইউপি সচিবের বকেয়া আনুতোষিক পরিশোধের নির্দেশ

উল্লেখ্য যে, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই বিষয়ে বিভক্ত রায় দেওয়ায় বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে একক বেঞ্চে পাঠানো হয়েছিল। উচ্চ আদালত ও সর্বশেষ আপিল বিভাগের এই সিদ্ধান্তের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন ও বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে টার্মিনাল পরিচালনার পথ এখন সম্পূর্ণ নিষ্কণ্টক হলো। এই রায়ের ফলে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলেন আপিল বিভাগ

আপডেট সময় ০১:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটল।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন। এই আদেশের ফলে বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিদেশি কোম্পানির চুক্তির চলমান প্রক্রিয়াটি আইনিভাবে বৈধ থাকল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট এই সংক্রান্ত একটি রুল খারিজ করে রায় দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, ২০১৭ সালের প্রকিউরমেন্ট পলিসি ও সমঝোতা স্মারকের অধীনেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে সরাসরি দক্ষ কোম্পানি বাছাই করার আইনি সুযোগ রয়েছে। আদালত তখন অভিমত দিয়েছিলেন যে, যেহেতু এখনো চূড়ান্ত কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি, তাই রিটটি আইনিভাবে ‘অপরিপক্ব’। যুব অর্থনীতি ফোরামের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হাসান গত বছর এই প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থে রিটটি করেছিলেন।

আরও পড়ুন  হাইকোর্টের রায়: অন্তর্বর্তী সরকার আইন ও জনগণের সমর্থনে প্রতিষ্ঠিত

উল্লেখ্য যে, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই বিষয়ে বিভক্ত রায় দেওয়ায় বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে একক বেঞ্চে পাঠানো হয়েছিল। উচ্চ আদালত ও সর্বশেষ আপিল বিভাগের এই সিদ্ধান্তের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন ও বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে টার্মিনাল পরিচালনার পথ এখন সম্পূর্ণ নিষ্কণ্টক হলো। এই রায়ের ফলে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।