ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন মঞ্জুর: কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / 138

ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলাসহ পৃথক পাঁচটি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। আজ বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এই আদেশ দেন।

এর আগে গত ৮ মার্চ জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলা ও রায় জালিয়াতির অভিযোগ সংক্রান্ত অপর চারটি মামলায় অন্য একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। আজকের এই আদেশের ফলে তাঁর কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা থাকল না বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর আইনজীবীরা।

আদালতে এ বি এম খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু এবং ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। উল্লেখ্য, ২০১০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনকারী খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চই সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তির রায় দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন  গুরুতর অসদাচরণের দায়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি খিজির হায়াতের অপসারণ

গত ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত একটি হত্যা মামলা, রায় জালিয়াতির অভিযোগে শাহবাগ ও নারায়ণগঞ্জে দায়ের করা মামলা এবং বিধিবহির্ভূতভাবে প্লট গ্রহণের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় তাঁকে ধারাবাহিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সবকটি মামলায় জামিন পাওয়ায় সাবেক এই প্রধান বিচারপতির মুক্তি এখন কেবল দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে। গত বছরের অক্টোবর মাসে উচ্চ আদালত তাঁর জামিন বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন, যা আজ চূড়ান্ত শুনানির পর নিষ্পত্তি করা হলো।

উল্লেখ্য যে, ৫টি মামলার মধ্যে ৪টিতে গত ৮ মার্চ জামিন পাওয়ার পর আজ শেষ মামলাটিতেও তিনি আইনি স্বস্তি পেলেন। সামগ্রিকভাবে, এই জামিন আদেশ দেশের বিচারিক অঙ্গনে এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন মঞ্জুর: কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই

আপডেট সময় ০৫:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলাসহ পৃথক পাঁচটি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। আজ বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এই আদেশ দেন।

এর আগে গত ৮ মার্চ জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলা ও রায় জালিয়াতির অভিযোগ সংক্রান্ত অপর চারটি মামলায় অন্য একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। আজকের এই আদেশের ফলে তাঁর কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা থাকল না বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর আইনজীবীরা।

আদালতে এ বি এম খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু এবং ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। উল্লেখ্য, ২০১০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনকারী খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চই সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তির রায় দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন  বিপুল সংখ্যক জামিন দেওয়ায় ৩ বিচারপতির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি

গত ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত একটি হত্যা মামলা, রায় জালিয়াতির অভিযোগে শাহবাগ ও নারায়ণগঞ্জে দায়ের করা মামলা এবং বিধিবহির্ভূতভাবে প্লট গ্রহণের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় তাঁকে ধারাবাহিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সবকটি মামলায় জামিন পাওয়ায় সাবেক এই প্রধান বিচারপতির মুক্তি এখন কেবল দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে। গত বছরের অক্টোবর মাসে উচ্চ আদালত তাঁর জামিন বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন, যা আজ চূড়ান্ত শুনানির পর নিষ্পত্তি করা হলো।

উল্লেখ্য যে, ৫টি মামলার মধ্যে ৪টিতে গত ৮ মার্চ জামিন পাওয়ার পর আজ শেষ মামলাটিতেও তিনি আইনি স্বস্তি পেলেন। সামগ্রিকভাবে, এই জামিন আদেশ দেশের বিচারিক অঙ্গনে এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।