সপ্তাহজুড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের যে কাজগুলো প্রশংসিত-
- আপডেট সময় ০৩:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 34
১. প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ৯টার মধ্যেই অফিসে সচিবরাও-
দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টার আগেই সচিবালয়ে প্রবেশ করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ কাজ না থাকলেও তিনি সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে চলে আসছেন। এমনকি ছুটির দিন শনিবারেও তেজগাঁওয়ে তার কার্যালয়ে বসছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই নিয়মানুবর্তিতা এখন অভ্যাস বদলে দিচ্ছে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। সচিবরাও এখন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে অফিসে হাজির হওয়ার চেষ্টা করছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে সবার আগে অফিসে এসে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। এতে অনেক কর্মকর্তার পুরোনো অভ্যাস বদলাতে শুরু করেছে।
২. প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড-
সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে ১৪টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে চালু করবে। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
৩. পিলখানা হত্যা মামলায় প্রথমবার আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা-
১৭ বছর আগে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় ঘটে যায় এক নারকীয় ঘটনা। সেদিনের হামলায় প্রাণ হারান দেশের ৫৭ জন সেনা অফিসার ও ১৭ জন বেসামরিক নাগরিক। কেউ ভাবতেও পারেননি খোদ পিলখানার মধ্যেই প্রাণ হারাবেন প্রথম সারির সামরিক কর্মকর্তারা।
ওই পিলখানা হত্যার ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এরই মধ্যে ওই মামলায় প্রথমবারের মতো আসতে যাচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত পলাতক ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নাম। প্রসিকিউশন জানায়, বিস্ফোরক এই মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দিতে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে এসেছে।
৪. ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি দিবে সরকার-
নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেবে জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। ঈদের আগেই এই সম্মানীর টাকা বিতরণ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার।
৫. মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা-
আমাদের হাতে বিলাসিতা করার মতো সময় নেই। প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে আগামী ১৮০ দিনের (৬ মাস) মধ্যে মাঠ পর্যায়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখাতে হবে, অন্যথায় আপনাদের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তোলা হবে। এই মন্ত্রিসভায় আপনার টিকে থাকা সম্পূর্ণভাবে আপনার দক্ষতা এবং কাজের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে। আপনি যদি জনগণের জন্য ফলাফল দিতে না পারেন, তবে আপনি এমন একটি আসন দখল করে আছেন যা আপনার চেয়ে যোগ্য কারো প্রাপ্য।
























