ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ড. ইউনূস রিজার্ভে ২৯ বিলিয়ন ডলার রেখে যাচ্ছেন, হাসিনার পতনের সময় ছিল ১৫ বিলিয়ন ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 4689

ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছয় মাসের খাদ্য ও ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রিজার্ভ রেখে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব এ কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা নেওয়ার সময় রিজার্ভ ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল, ব্যাংক দেউলিয়া হয়। ব্যাংকগুলোকে অচল করে রেখে যাওয়া হয়। বর্তমানে রিজার্ভ ২৯ বিলিয়ন ডলারে উপনীত করা হয়েছে। যে রিজার্ভ রেখে যাচ্ছি, তাতে ছয় মাসের খাদ্য হবে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থা একটি অবস্থায় রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আরও পড়ুন  ফ্রান্স-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন মাইলফলক: ২০ বিলিয়ন ডলারের বিমান চুক্তি

প্রেস সচিব বলেন, গত ১৮ মাসে কোনো গুমের ঘটনা ঘটেনি। ফ্যাসিস্টদের কার্যক্রম মোকাবিলা করতে হয়েছে। এ অবস্থায় অনেক সংস্কার ও আইনগত কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে।

এর আগের খবরে জানা যায়, শনিবার (১০ আগস্ট ২৪) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। সবচেয়ে শঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে, এর মধ্যে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ১৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আপাতত রিজার্ভ নিয়ে কোনো তথ্য দেয়া ঝুঁকিপূর্ণ। রিজার্ভের ব্যাপারে এ মুহূর্তে কিছু জানানো সম্ভব না।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্ট্রাডিজের (বিআইআইএসএস) গবেষণা পরিচালক মাহফুজ কবির বলেন, ‘আমাদের জানা মতে, ব্যাংকে বর্তমানে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ১২ বিলিয়ন ডলারের মতো। এত বিশাল অর্থনীতি সামাল দেয়ার জন্য এ পরিমাণের রিজার্ভ অপ্রতুল।’ সরকার পতনের পর ৭ আগস্ট ২৪ থেকে ব্যাপক আন্দোলনের মুখে চার ডেপুটি গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং উপদেষ্টা পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে শুক্রবার (৯ আগস্ট ২৪) পদত্যাগ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। এর আগে, গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শতাধিক কর্মকর্তা বিক্ষোভ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ড. ইউনূস রিজার্ভে ২৯ বিলিয়ন ডলার রেখে যাচ্ছেন, হাসিনার পতনের সময় ছিল ১৫ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় ০৮:৪৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছয় মাসের খাদ্য ও ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রিজার্ভ রেখে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব এ কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা নেওয়ার সময় রিজার্ভ ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল, ব্যাংক দেউলিয়া হয়। ব্যাংকগুলোকে অচল করে রেখে যাওয়া হয়। বর্তমানে রিজার্ভ ২৯ বিলিয়ন ডলারে উপনীত করা হয়েছে। যে রিজার্ভ রেখে যাচ্ছি, তাতে ছয় মাসের খাদ্য হবে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থা একটি অবস্থায় রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আরও পড়ুন  আমরা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী: ড. ইউনূস

প্রেস সচিব বলেন, গত ১৮ মাসে কোনো গুমের ঘটনা ঘটেনি। ফ্যাসিস্টদের কার্যক্রম মোকাবিলা করতে হয়েছে। এ অবস্থায় অনেক সংস্কার ও আইনগত কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে।

এর আগের খবরে জানা যায়, শনিবার (১০ আগস্ট ২৪) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। সবচেয়ে শঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে, এর মধ্যে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ১৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আপাতত রিজার্ভ নিয়ে কোনো তথ্য দেয়া ঝুঁকিপূর্ণ। রিজার্ভের ব্যাপারে এ মুহূর্তে কিছু জানানো সম্ভব না।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্ট্রাডিজের (বিআইআইএসএস) গবেষণা পরিচালক মাহফুজ কবির বলেন, ‘আমাদের জানা মতে, ব্যাংকে বর্তমানে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ১২ বিলিয়ন ডলারের মতো। এত বিশাল অর্থনীতি সামাল দেয়ার জন্য এ পরিমাণের রিজার্ভ অপ্রতুল।’ সরকার পতনের পর ৭ আগস্ট ২৪ থেকে ব্যাপক আন্দোলনের মুখে চার ডেপুটি গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং উপদেষ্টা পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে শুক্রবার (৯ আগস্ট ২৪) পদত্যাগ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। এর আগে, গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শতাধিক কর্মকর্তা বিক্ষোভ করেন।