০৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
বাংলাদেশকে আর বিভক্ত করতে দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩ কোটি টাকার লটারি জিতলেন বাংলাদেশি প্রবাসী কারাগারে সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু জামায়াতের জনসভায় এবি পার্টি নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: এলাকায় চাঞ্চল্য ৩০ বছর পর বাংলাদেশহীন বিশ্বকাপ: হাহাকার আর রোমাঞ্চের দোলাচল খুলনায় তুচ্ছ ঘটনায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক, চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা: আইন কী বলে, শাস্তি কি? জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি,জামায়াত ছাড়া সরকার গঠনের ইঙ্গিত সুপার এআই দখলের লড়াইয়ে চীনের প্রযুক্তি জায়ান্টরা

সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা: আইন কী বলে, শাস্তি কি?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 75

ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ সংগ্রহের সময় কোনো সাংবাদিক বা সংবাদকর্মীর ওপর পুলিশ বা অন্য কোনো ব্যক্তি অকারণে হামলা চালাতে পারে না—এমনটাই বলছে দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধান। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধভাবে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিককে বাধা দেওয়া বা শারীরিকভাবে আঘাত করা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার আওতায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে ব্যক্তির জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ফলে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা সংবিধানপ্রদত্ত অধিকারের পরিপন্থী।

আইনবিদরা জানান, এ ধরনের ঘটনায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে। দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। ৩৫২ ধারায় আক্রমণ বা মারধরের জন্য তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান আছে। এছাড়া ৩৪১ ধারায় বেআইনি বাধা দেওয়ার অপরাধে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে আরও কঠোর ধারাও প্রযোজ্য হতে পারে।

এদিকে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকার পৃথক আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি বা হয়রানির ঘটনায় এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপরও আঘাত। এমন ঘটনায় ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা: আইন কী বলে, শাস্তি কি?

আপডেট সময় ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংবাদ সংগ্রহের সময় কোনো সাংবাদিক বা সংবাদকর্মীর ওপর পুলিশ বা অন্য কোনো ব্যক্তি অকারণে হামলা চালাতে পারে না—এমনটাই বলছে দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধান। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধভাবে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিককে বাধা দেওয়া বা শারীরিকভাবে আঘাত করা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার আওতায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে ব্যক্তির জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ফলে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা সংবিধানপ্রদত্ত অধিকারের পরিপন্থী।

আইনবিদরা জানান, এ ধরনের ঘটনায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে। দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। ৩৫২ ধারায় আক্রমণ বা মারধরের জন্য তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান আছে। এছাড়া ৩৪১ ধারায় বেআইনি বাধা দেওয়ার অপরাধে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে আরও কঠোর ধারাও প্রযোজ্য হতে পারে।

এদিকে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকার পৃথক আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি বা হয়রানির ঘটনায় এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপরও আঘাত। এমন ঘটনায় ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।