ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

মাউই, হাওয়াই: প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের দ্বীপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 749

ছবি: সংগৃহীত

 

মাউই যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত আর আদিবাসী সংস্কৃতির কারণে মাউই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।

মাউইয়ের ইতিহাস শুরু হয় পলিনেশিয়ান আদিবাসীদের মাধ্যমে। তারা সমুদ্রপথে এসে এখানে বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তীতে উনিশ শতকে ইউরোপীয় ও আমেরিকান প্রভাব বাড়তে থাকে। ১৮৯৩ সালে হাওয়াই রাজ্যের পতনের পর মাউই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  কিরিবাতি: প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র

পর্যটনের দিক থেকে মাউইয়ের সবচেয়ে পরিচিত স্থান হলো হালেয়াকালা ন্যাশনাল পার্ক। এখানে অবস্থিত হালেয়াকালা আগ্নেয়গিরি একসময় সক্রিয় ছিল। বর্তমানে এটি পর্যটকদের জন্য খোলা এবং প্রকৃতি ও ভূতত্ত্ব জানার একটি বড় সুযোগ।

রোড টু হানা মাউইয়ের আরেকটি জনপ্রিয় ভ্রমণপথ। এই সড়ক পথে যেতে যেতে পাহাড়, জলপ্রপাত ও বনভূমির দেখা মেলে। ভ্রমণকারীরা পথে ছোট গ্রাম ও ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।
মাউইয়ের উপকূল এলাকাগুলোর মধ্যে কানাপালি বিচ ও ওয়াইলিয়া খুবই জনপ্রিয়। এখানে সমুদ্রস্নান, স্নরকেলিং ও নৌভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। পর্যটনই এই এলাকার প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি।
ইতিহাস জানতে চাইলে লাহাইনা শহর গুরুত্বপূর্ণ। একসময় এটি হাওয়াই রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং তিমি শিকারিদের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানকার পুরনো ভবন ও জাদুঘর মাউইয়ের অতীতের গল্প বলে।
সব মিলিয়ে, মাউই এমন একটি দ্বীপ যেখানে প্রকৃতি, ইতিহাস আর আধুনিক পর্যটন একসঙ্গে উপভোগ করা যায়। যারা সমুদ্র, পাহাড় আর সংস্কৃতি এক জায়গায় দেখতে চান, তাদের জন্য মাউই একটি আদর্শ গন্তব্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাউই, হাওয়াই: প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের দ্বীপ

আপডেট সময় ১০:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

 

মাউই যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত আর আদিবাসী সংস্কৃতির কারণে মাউই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।

মাউইয়ের ইতিহাস শুরু হয় পলিনেশিয়ান আদিবাসীদের মাধ্যমে। তারা সমুদ্রপথে এসে এখানে বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তীতে উনিশ শতকে ইউরোপীয় ও আমেরিকান প্রভাব বাড়তে থাকে। ১৮৯৩ সালে হাওয়াই রাজ্যের পতনের পর মাউই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  বাধা পেলেও থামেনি সুর—উদীচীর গানের মিছিল জারি

পর্যটনের দিক থেকে মাউইয়ের সবচেয়ে পরিচিত স্থান হলো হালেয়াকালা ন্যাশনাল পার্ক। এখানে অবস্থিত হালেয়াকালা আগ্নেয়গিরি একসময় সক্রিয় ছিল। বর্তমানে এটি পর্যটকদের জন্য খোলা এবং প্রকৃতি ও ভূতত্ত্ব জানার একটি বড় সুযোগ।

রোড টু হানা মাউইয়ের আরেকটি জনপ্রিয় ভ্রমণপথ। এই সড়ক পথে যেতে যেতে পাহাড়, জলপ্রপাত ও বনভূমির দেখা মেলে। ভ্রমণকারীরা পথে ছোট গ্রাম ও ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।
মাউইয়ের উপকূল এলাকাগুলোর মধ্যে কানাপালি বিচ ও ওয়াইলিয়া খুবই জনপ্রিয়। এখানে সমুদ্রস্নান, স্নরকেলিং ও নৌভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। পর্যটনই এই এলাকার প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি।
ইতিহাস জানতে চাইলে লাহাইনা শহর গুরুত্বপূর্ণ। একসময় এটি হাওয়াই রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং তিমি শিকারিদের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানকার পুরনো ভবন ও জাদুঘর মাউইয়ের অতীতের গল্প বলে।
সব মিলিয়ে, মাউই এমন একটি দ্বীপ যেখানে প্রকৃতি, ইতিহাস আর আধুনিক পর্যটন একসঙ্গে উপভোগ করা যায়। যারা সমুদ্র, পাহাড় আর সংস্কৃতি এক জায়গায় দেখতে চান, তাদের জন্য মাউই একটি আদর্শ গন্তব্য।