ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু রাজবাড়ীতে রেলব্রিজে ধাক্কা লেগে ট্রেনের ছাদে থাকা যুবকের মৃত্যু শাহেদ ধাঁচে নতুন ড্রোন: ব্যাপক উৎপাদনে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লুকাস’ সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ: ব্যয়ের অসমতায় চাপে প্রচলিত শক্তি আফগানিস্তানে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কমপ্লেক্সের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলা বিশ্বজুড়ে তিন দিন ঈদ: আজ, কাল ও পরশু কবে কোথায় জানুন

মাউই, হাওয়াই: প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের দ্বীপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 427

ছবি: সংগৃহীত

 

মাউই যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত আর আদিবাসী সংস্কৃতির কারণে মাউই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।

মাউইয়ের ইতিহাস শুরু হয় পলিনেশিয়ান আদিবাসীদের মাধ্যমে। তারা সমুদ্রপথে এসে এখানে বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তীতে উনিশ শতকে ইউরোপীয় ও আমেরিকান প্রভাব বাড়তে থাকে। ১৮৯৩ সালে হাওয়াই রাজ্যের পতনের পর মাউই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  পাপুয়া নিউ গিনি: বৈচিত্র্যের দেশ, সংস্কৃতির বিস্ময়

পর্যটনের দিক থেকে মাউইয়ের সবচেয়ে পরিচিত স্থান হলো হালেয়াকালা ন্যাশনাল পার্ক। এখানে অবস্থিত হালেয়াকালা আগ্নেয়গিরি একসময় সক্রিয় ছিল। বর্তমানে এটি পর্যটকদের জন্য খোলা এবং প্রকৃতি ও ভূতত্ত্ব জানার একটি বড় সুযোগ।

রোড টু হানা মাউইয়ের আরেকটি জনপ্রিয় ভ্রমণপথ। এই সড়ক পথে যেতে যেতে পাহাড়, জলপ্রপাত ও বনভূমির দেখা মেলে। ভ্রমণকারীরা পথে ছোট গ্রাম ও ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।
মাউইয়ের উপকূল এলাকাগুলোর মধ্যে কানাপালি বিচ ও ওয়াইলিয়া খুবই জনপ্রিয়। এখানে সমুদ্রস্নান, স্নরকেলিং ও নৌভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। পর্যটনই এই এলাকার প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি।
ইতিহাস জানতে চাইলে লাহাইনা শহর গুরুত্বপূর্ণ। একসময় এটি হাওয়াই রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং তিমি শিকারিদের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানকার পুরনো ভবন ও জাদুঘর মাউইয়ের অতীতের গল্প বলে।
সব মিলিয়ে, মাউই এমন একটি দ্বীপ যেখানে প্রকৃতি, ইতিহাস আর আধুনিক পর্যটন একসঙ্গে উপভোগ করা যায়। যারা সমুদ্র, পাহাড় আর সংস্কৃতি এক জায়গায় দেখতে চান, তাদের জন্য মাউই একটি আদর্শ গন্তব্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাউই, হাওয়াই: প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের দ্বীপ

আপডেট সময় ১০:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

 

মাউই যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত আর আদিবাসী সংস্কৃতির কারণে মাউই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।

মাউইয়ের ইতিহাস শুরু হয় পলিনেশিয়ান আদিবাসীদের মাধ্যমে। তারা সমুদ্রপথে এসে এখানে বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তীতে উনিশ শতকে ইউরোপীয় ও আমেরিকান প্রভাব বাড়তে থাকে। ১৮৯৩ সালে হাওয়াই রাজ্যের পতনের পর মাউই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন

পর্যটনের দিক থেকে মাউইয়ের সবচেয়ে পরিচিত স্থান হলো হালেয়াকালা ন্যাশনাল পার্ক। এখানে অবস্থিত হালেয়াকালা আগ্নেয়গিরি একসময় সক্রিয় ছিল। বর্তমানে এটি পর্যটকদের জন্য খোলা এবং প্রকৃতি ও ভূতত্ত্ব জানার একটি বড় সুযোগ।

রোড টু হানা মাউইয়ের আরেকটি জনপ্রিয় ভ্রমণপথ। এই সড়ক পথে যেতে যেতে পাহাড়, জলপ্রপাত ও বনভূমির দেখা মেলে। ভ্রমণকারীরা পথে ছোট গ্রাম ও ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।
মাউইয়ের উপকূল এলাকাগুলোর মধ্যে কানাপালি বিচ ও ওয়াইলিয়া খুবই জনপ্রিয়। এখানে সমুদ্রস্নান, স্নরকেলিং ও নৌভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। পর্যটনই এই এলাকার প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি।
ইতিহাস জানতে চাইলে লাহাইনা শহর গুরুত্বপূর্ণ। একসময় এটি হাওয়াই রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং তিমি শিকারিদের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানকার পুরনো ভবন ও জাদুঘর মাউইয়ের অতীতের গল্প বলে।
সব মিলিয়ে, মাউই এমন একটি দ্বীপ যেখানে প্রকৃতি, ইতিহাস আর আধুনিক পর্যটন একসঙ্গে উপভোগ করা যায়। যারা সমুদ্র, পাহাড় আর সংস্কৃতি এক জায়গায় দেখতে চান, তাদের জন্য মাউই একটি আদর্শ গন্তব্য।