ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

মাউই, হাওয়াই: প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের দ্বীপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 748

ছবি: সংগৃহীত

 

মাউই যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত আর আদিবাসী সংস্কৃতির কারণে মাউই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।

মাউইয়ের ইতিহাস শুরু হয় পলিনেশিয়ান আদিবাসীদের মাধ্যমে। তারা সমুদ্রপথে এসে এখানে বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তীতে উনিশ শতকে ইউরোপীয় ও আমেরিকান প্রভাব বাড়তে থাকে। ১৮৯৩ সালে হাওয়াই রাজ্যের পতনের পর মাউই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  ফিজি: প্রশান্ত মহাসাগরের বহুজাতিক ও প্রাণবন্ত দ্বীপ রাষ্ট্র

পর্যটনের দিক থেকে মাউইয়ের সবচেয়ে পরিচিত স্থান হলো হালেয়াকালা ন্যাশনাল পার্ক। এখানে অবস্থিত হালেয়াকালা আগ্নেয়গিরি একসময় সক্রিয় ছিল। বর্তমানে এটি পর্যটকদের জন্য খোলা এবং প্রকৃতি ও ভূতত্ত্ব জানার একটি বড় সুযোগ।

রোড টু হানা মাউইয়ের আরেকটি জনপ্রিয় ভ্রমণপথ। এই সড়ক পথে যেতে যেতে পাহাড়, জলপ্রপাত ও বনভূমির দেখা মেলে। ভ্রমণকারীরা পথে ছোট গ্রাম ও ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।
মাউইয়ের উপকূল এলাকাগুলোর মধ্যে কানাপালি বিচ ও ওয়াইলিয়া খুবই জনপ্রিয়। এখানে সমুদ্রস্নান, স্নরকেলিং ও নৌভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। পর্যটনই এই এলাকার প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি।
ইতিহাস জানতে চাইলে লাহাইনা শহর গুরুত্বপূর্ণ। একসময় এটি হাওয়াই রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং তিমি শিকারিদের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানকার পুরনো ভবন ও জাদুঘর মাউইয়ের অতীতের গল্প বলে।
সব মিলিয়ে, মাউই এমন একটি দ্বীপ যেখানে প্রকৃতি, ইতিহাস আর আধুনিক পর্যটন একসঙ্গে উপভোগ করা যায়। যারা সমুদ্র, পাহাড় আর সংস্কৃতি এক জায়গায় দেখতে চান, তাদের জন্য মাউই একটি আদর্শ গন্তব্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাউই, হাওয়াই: প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের দ্বীপ

আপডেট সময় ১০:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

 

মাউই যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত আর আদিবাসী সংস্কৃতির কারণে মাউই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।

মাউইয়ের ইতিহাস শুরু হয় পলিনেশিয়ান আদিবাসীদের মাধ্যমে। তারা সমুদ্রপথে এসে এখানে বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তীতে উনিশ শতকে ইউরোপীয় ও আমেরিকান প্রভাব বাড়তে থাকে। ১৮৯৩ সালে হাওয়াই রাজ্যের পতনের পর মাউই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল

পর্যটনের দিক থেকে মাউইয়ের সবচেয়ে পরিচিত স্থান হলো হালেয়াকালা ন্যাশনাল পার্ক। এখানে অবস্থিত হালেয়াকালা আগ্নেয়গিরি একসময় সক্রিয় ছিল। বর্তমানে এটি পর্যটকদের জন্য খোলা এবং প্রকৃতি ও ভূতত্ত্ব জানার একটি বড় সুযোগ।

রোড টু হানা মাউইয়ের আরেকটি জনপ্রিয় ভ্রমণপথ। এই সড়ক পথে যেতে যেতে পাহাড়, জলপ্রপাত ও বনভূমির দেখা মেলে। ভ্রমণকারীরা পথে ছোট গ্রাম ও ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।
মাউইয়ের উপকূল এলাকাগুলোর মধ্যে কানাপালি বিচ ও ওয়াইলিয়া খুবই জনপ্রিয়। এখানে সমুদ্রস্নান, স্নরকেলিং ও নৌভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। পর্যটনই এই এলাকার প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি।
ইতিহাস জানতে চাইলে লাহাইনা শহর গুরুত্বপূর্ণ। একসময় এটি হাওয়াই রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং তিমি শিকারিদের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানকার পুরনো ভবন ও জাদুঘর মাউইয়ের অতীতের গল্প বলে।
সব মিলিয়ে, মাউই এমন একটি দ্বীপ যেখানে প্রকৃতি, ইতিহাস আর আধুনিক পর্যটন একসঙ্গে উপভোগ করা যায়। যারা সমুদ্র, পাহাড় আর সংস্কৃতি এক জায়গায় দেখতে চান, তাদের জন্য মাউই একটি আদর্শ গন্তব্য।