ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব: ২৬ দিনে প্রাণ হারাল ১৬৬ শিশু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে বাংলাদেশের স্বর্ণজয় সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বড় নিয়োগ, আবেদন শেষ ১০ এপ্রিল পুলিশে ২৭০৩ কনস্টেবল নিয়োগ: জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৩ হাজারের বেশি পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা: দেশবাসীকে সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

পঞ্চগড় শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 437

ছবি: সংগৃহীত

 

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়েও শীতের প্রকোপ বেড়েছে পৌষের মাঝামাঝি সময়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো । হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসে জেলার সর্বত্র বিরাজ করছে কনকনে ঠান্ডা। এর সঙ্গে সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ।

আবহাওয়া অফিস জানায়, গত দুই দিন ধরে পঞ্চগড় জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আরও পড়ুন  পঞ্চগড় সীমান্তে ফের ১৭ বাংলাদেশিকে ঠেলে পাঠালো বিএসএফ

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে পুরো জেলা। ব্যস্ত সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। কনকনে ঠান্ডা ও হিম বাতাসের কারণে সকালবেলা রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সকাল ৯টার দিকে কুয়াশা কিছুটা কেটে যায় এবং সূর্যের দেখা মেলে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে জনজীবনে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সকালে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি, ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র এবং ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

পঞ্চগড় শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে

আপডেট সময় ১২:২৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

 

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়েও শীতের প্রকোপ বেড়েছে পৌষের মাঝামাঝি সময়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো । হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসে জেলার সর্বত্র বিরাজ করছে কনকনে ঠান্ডা। এর সঙ্গে সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ।

আবহাওয়া অফিস জানায়, গত দুই দিন ধরে পঞ্চগড় জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আরও পড়ুন  দেশজুড়ে কনকনে শীতের দাপট ও শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা, থাকবে আরো ৭ দিন

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে পুরো জেলা। ব্যস্ত সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। কনকনে ঠান্ডা ও হিম বাতাসের কারণে সকালবেলা রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সকাল ৯টার দিকে কুয়াশা কিছুটা কেটে যায় এবং সূর্যের দেখা মেলে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে জনজীবনে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সকালে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি, ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র এবং ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।