ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

পঞ্চগড় শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 536

ছবি: সংগৃহীত

 

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়েও শীতের প্রকোপ বেড়েছে পৌষের মাঝামাঝি সময়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো । হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসে জেলার সর্বত্র বিরাজ করছে কনকনে ঠান্ডা। এর সঙ্গে সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ।

আবহাওয়া অফিস জানায়, গত দুই দিন ধরে পঞ্চগড় জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আরও পড়ুন  পঞ্চগড়ে ভুট্টাক্ষেতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে পুরো জেলা। ব্যস্ত সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। কনকনে ঠান্ডা ও হিম বাতাসের কারণে সকালবেলা রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সকাল ৯টার দিকে কুয়াশা কিছুটা কেটে যায় এবং সূর্যের দেখা মেলে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে জনজীবনে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সকালে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি, ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র এবং ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

পঞ্চগড় শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে

আপডেট সময় ১২:২৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

 

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়েও শীতের প্রকোপ বেড়েছে পৌষের মাঝামাঝি সময়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো । হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসে জেলার সর্বত্র বিরাজ করছে কনকনে ঠান্ডা। এর সঙ্গে সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ।

আবহাওয়া অফিস জানায়, গত দুই দিন ধরে পঞ্চগড় জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আরও পড়ুন  দেড় যুগ পর পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে পুরো জেলা। ব্যস্ত সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। কনকনে ঠান্ডা ও হিম বাতাসের কারণে সকালবেলা রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সকাল ৯টার দিকে কুয়াশা কিছুটা কেটে যায় এবং সূর্যের দেখা মেলে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে জনজীবনে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সকালে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি, ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র এবং ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।