ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ঢাবিতে নারী শিক্ষার্থী দিবস ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবস ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 400

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপিত হলো ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে ‘জুলাই উইমেনস ডে’। এই উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাতে রাজু ভাস্কর্যে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের এক বছর আগের সাহসিকতা ও প্রতিবাদকে সম্মান জানানো হয়।

রাত ১২টা ২০ মিনিটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান ঘোষণা দেন, প্রতিবছর ১৪ জুলাই ‘নারী শিক্ষার্থী দিবস’ এবং ১৭ জুলাই ‘সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালন করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তিনি বলেন, “এই দুইটি দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এক বছর আগে নারী শিক্ষার্থীরা যে অদম্য সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, এই ঘোষণা তারই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।”

আরও পড়ুন  ৮ ট্রিলিয়ন ডলারের খনিজে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ, সন্ত্রাস ও নিরাপত্তা বড় বাধা।

২০২৪ সালের ১৪ জুলাই কোটা বৈষম্যের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের সময় ‘রাজাকার’ শব্দ প্রয়োগে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা। ওই রাতেই সাহসিকতা দেখিয়ে হলের তালা ভেঙে রাস্তায় নেমে আসেন নারী শিক্ষার্থীরা এবং ফ্যাসিবাদী দমননীতির বিরুদ্ধে মুখর হন। সেই অভূতপূর্ব প্রতিবাদই পরবর্তীতে আন্দোলনে এনে দেয় নতুন গতি।

‘জুলাই উইমেনস ডে’-এর আয়োজনে অংশ নেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। রাজু ভাস্কর্যে তারা দেন ফ্যাসিবাদবিরোধী নানা স্লোগান। অনুষ্ঠানে উপাচার্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাবেক শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, টিএসসি, শামসুন্নাহার হল ও রাজু ভাস্কর্য প্রাঙ্গণে প্রদর্শিত হয় জুলাই অভ্যুত্থানভিত্তিক ডকুমেন্টারি ও অডিও-ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা। ছিল পোস্টার প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং একটি ড্রোন শো, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও প্রতিবছর জুলাই মাসজুড়ে নিয়মিতভাবে এমন আয়োজন চালিয়ে যাওয়া হবে। সাহসিকতা, প্রতিবাদ ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো এই স্মৃতি ভবিষ্যতের প্রজন্মকে পথ দেখাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাবিতে নারী শিক্ষার্থী দিবস ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবস ঘোষণা

আপডেট সময় ০২:২৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপিত হলো ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে ‘জুলাই উইমেনস ডে’। এই উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাতে রাজু ভাস্কর্যে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের এক বছর আগের সাহসিকতা ও প্রতিবাদকে সম্মান জানানো হয়।

রাত ১২টা ২০ মিনিটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান ঘোষণা দেন, প্রতিবছর ১৪ জুলাই ‘নারী শিক্ষার্থী দিবস’ এবং ১৭ জুলাই ‘সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালন করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তিনি বলেন, “এই দুইটি দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এক বছর আগে নারী শিক্ষার্থীরা যে অদম্য সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, এই ঘোষণা তারই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।”

আরও পড়ুন  ধর্ষণের বিরুদ্ধে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

২০২৪ সালের ১৪ জুলাই কোটা বৈষম্যের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের সময় ‘রাজাকার’ শব্দ প্রয়োগে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা। ওই রাতেই সাহসিকতা দেখিয়ে হলের তালা ভেঙে রাস্তায় নেমে আসেন নারী শিক্ষার্থীরা এবং ফ্যাসিবাদী দমননীতির বিরুদ্ধে মুখর হন। সেই অভূতপূর্ব প্রতিবাদই পরবর্তীতে আন্দোলনে এনে দেয় নতুন গতি।

‘জুলাই উইমেনস ডে’-এর আয়োজনে অংশ নেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। রাজু ভাস্কর্যে তারা দেন ফ্যাসিবাদবিরোধী নানা স্লোগান। অনুষ্ঠানে উপাচার্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাবেক শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, টিএসসি, শামসুন্নাহার হল ও রাজু ভাস্কর্য প্রাঙ্গণে প্রদর্শিত হয় জুলাই অভ্যুত্থানভিত্তিক ডকুমেন্টারি ও অডিও-ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা। ছিল পোস্টার প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং একটি ড্রোন শো, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও প্রতিবছর জুলাই মাসজুড়ে নিয়মিতভাবে এমন আয়োজন চালিয়ে যাওয়া হবে। সাহসিকতা, প্রতিবাদ ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো এই স্মৃতি ভবিষ্যতের প্রজন্মকে পথ দেখাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।