ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

ইরানের ফোর্ডো স্থাপনা ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্রই সক্ষম: মন্তব্য ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 442

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ফোর্ডো পারমাণবিক স্থাপনাটি ধ্বংস করার ক্ষমতা একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেরই রয়েছে। তবে তিনি এও পরিষ্কার করে দেন, এমন বক্তব্যের অর্থ এই নয় যে তিনি এখনই সেই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন।

বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “সবাই আমাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করছে, তবে আমি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। দেখা যাক কী হয়।”

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতির চূড়ান্ত পর্যায়ে ইসরাইল-হামাস আলোচনা, যেকোনো সময় আসতে পারে ঘোষণা: ট্রাম্প

এ সময় তিনি আবারো ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ তোলেন, যদিও এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। ট্রাম্পের দাবি, “ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির খুব কাছাকাছি, মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধান ছিল।”

তবে ইরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তেহরান বারবার জানিয়েছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে অভিযুক্ত করে বলেন, “তারা এখনো কোনো পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত চুক্তিতে সই করেনি।” যদিও আন্তর্জাতিক মহল জানায়, ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিতে ইরান স্বাক্ষর করেছিল, যা থেকে ট্রাম্প প্রশাসন ২০১৮ সালে নিজ উদ্যোগে বেরিয়ে আসে।

তিনি আরও বলেন, “হয়তো এখনো কিছু করার সুযোগ আছে, কিন্তু সেটা হয়তো অনেক দেরি হয়ে গেছে।”

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ইরানের ফোর্ডো পারমাণবিক স্থাপনাটি দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা গোয়েন্দাদের নজরদারিতে রয়েছে। এই স্থাপনাটি পাহাড়ের নিচে নির্মিত হওয়ায় এটিকে ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য হয়তো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও হয়ে থাকতে পারে, তবে এতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক পথেই ইরান ইস্যুতে অগ্রসর হয় নাকি সামরিক হুমকির পথে হাঁটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের ফোর্ডো স্থাপনা ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্রই সক্ষম: মন্তব্য ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১০:১৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ফোর্ডো পারমাণবিক স্থাপনাটি ধ্বংস করার ক্ষমতা একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেরই রয়েছে। তবে তিনি এও পরিষ্কার করে দেন, এমন বক্তব্যের অর্থ এই নয় যে তিনি এখনই সেই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন।

বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “সবাই আমাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করছে, তবে আমি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। দেখা যাক কী হয়।”

আরও পড়ুন  ইরানের স্পিকার গালিবাফের সঙ্গে বৈঠক স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের

এ সময় তিনি আবারো ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ তোলেন, যদিও এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। ট্রাম্পের দাবি, “ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির খুব কাছাকাছি, মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধান ছিল।”

তবে ইরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তেহরান বারবার জানিয়েছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে অভিযুক্ত করে বলেন, “তারা এখনো কোনো পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত চুক্তিতে সই করেনি।” যদিও আন্তর্জাতিক মহল জানায়, ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিতে ইরান স্বাক্ষর করেছিল, যা থেকে ট্রাম্প প্রশাসন ২০১৮ সালে নিজ উদ্যোগে বেরিয়ে আসে।

তিনি আরও বলেন, “হয়তো এখনো কিছু করার সুযোগ আছে, কিন্তু সেটা হয়তো অনেক দেরি হয়ে গেছে।”

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ইরানের ফোর্ডো পারমাণবিক স্থাপনাটি দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা গোয়েন্দাদের নজরদারিতে রয়েছে। এই স্থাপনাটি পাহাড়ের নিচে নির্মিত হওয়ায় এটিকে ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য হয়তো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও হয়ে থাকতে পারে, তবে এতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক পথেই ইরান ইস্যুতে অগ্রসর হয় নাকি সামরিক হুমকির পথে হাঁটে।