ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, আটক ৬

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 592

ছবি সংগৃহীত

 

 

কক্সবাজার শহরের গোলদিঘির পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার অবৈধ চোলাই মদ জব্দ করেছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে মদ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশংসায় মার্কিন জেনারেল, দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতার আশ্বাস

রবিবার (১৫ জুন) রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের অধীনস্থ ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে স্থানীয়ভাবে তৈরি বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধার হয়, যা বেআইনিভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হচ্ছিল।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে আনুমানিক ২০০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। অভিযুক্ত ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা করা হচ্ছে, তারা চোলাই মদ তৈরির পাশাপাশি সরবরাহ ও বিক্রয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তিদের ও জব্দকৃত চোলাই মদ কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ মাদক ও চোলাই মদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। চোলাই মদ ধ্বংস এবং আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শহরের কিছু এলাকায় গোপনে চোলাই মদের উৎপাদন ও বেচাকেনা চলছিল বলে অভিযোগ ছিল অনেক দিন ধরে। সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।

উল্লেখ্য, চোলাই মদ একদিকে যেমন স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তেমনি এটি সমাজে অপরাধ প্রবণতাও বাড়িয়ে দেয়। তাই এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, আটক ৬

আপডেট সময় ১০:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

 

কক্সবাজার শহরের গোলদিঘির পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার অবৈধ চোলাই মদ জব্দ করেছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে মদ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  দুর্নীতির খোঁজে ঢাকাসহ ৩৫ বিআরটিএ অফিসে দুদকের একযোগে অভিযান

রবিবার (১৫ জুন) রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের অধীনস্থ ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে স্থানীয়ভাবে তৈরি বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধার হয়, যা বেআইনিভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হচ্ছিল।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে আনুমানিক ২০০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। অভিযুক্ত ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা করা হচ্ছে, তারা চোলাই মদ তৈরির পাশাপাশি সরবরাহ ও বিক্রয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তিদের ও জব্দকৃত চোলাই মদ কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ মাদক ও চোলাই মদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। চোলাই মদ ধ্বংস এবং আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শহরের কিছু এলাকায় গোপনে চোলাই মদের উৎপাদন ও বেচাকেনা চলছিল বলে অভিযোগ ছিল অনেক দিন ধরে। সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।

উল্লেখ্য, চোলাই মদ একদিকে যেমন স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তেমনি এটি সমাজে অপরাধ প্রবণতাও বাড়িয়ে দেয়। তাই এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।