ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, আটক ৬

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 352

ছবি সংগৃহীত

 

 

কক্সবাজার শহরের গোলদিঘির পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার অবৈধ চোলাই মদ জব্দ করেছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে মদ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  প্রাণঘাতী বিমান হামলার পর এবার গাজায় শুরু হলো স্থল অভিযান, যুদ্ধের ভয়াবহ রূপ স্পষ্ট

রবিবার (১৫ জুন) রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের অধীনস্থ ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে স্থানীয়ভাবে তৈরি বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধার হয়, যা বেআইনিভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হচ্ছিল।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে আনুমানিক ২০০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। অভিযুক্ত ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা করা হচ্ছে, তারা চোলাই মদ তৈরির পাশাপাশি সরবরাহ ও বিক্রয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তিদের ও জব্দকৃত চোলাই মদ কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ মাদক ও চোলাই মদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। চোলাই মদ ধ্বংস এবং আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শহরের কিছু এলাকায় গোপনে চোলাই মদের উৎপাদন ও বেচাকেনা চলছিল বলে অভিযোগ ছিল অনেক দিন ধরে। সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।

উল্লেখ্য, চোলাই মদ একদিকে যেমন স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তেমনি এটি সমাজে অপরাধ প্রবণতাও বাড়িয়ে দেয়। তাই এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, আটক ৬

আপডেট সময় ১০:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

 

কক্সবাজার শহরের গোলদিঘির পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার অবৈধ চোলাই মদ জব্দ করেছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে মদ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  জার্মান সেনাবাহিনী বাড়ছে: ২০৩৫ সালের মধ্যে ২,৬০,০০০ সক্রিয় সদস্যের লক্ষ্য অনুমোদন

রবিবার (১৫ জুন) রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের অধীনস্থ ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে স্থানীয়ভাবে তৈরি বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধার হয়, যা বেআইনিভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হচ্ছিল।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে আনুমানিক ২০০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। অভিযুক্ত ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা করা হচ্ছে, তারা চোলাই মদ তৈরির পাশাপাশি সরবরাহ ও বিক্রয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তিদের ও জব্দকৃত চোলাই মদ কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ মাদক ও চোলাই মদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। চোলাই মদ ধ্বংস এবং আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শহরের কিছু এলাকায় গোপনে চোলাই মদের উৎপাদন ও বেচাকেনা চলছিল বলে অভিযোগ ছিল অনেক দিন ধরে। সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।

উল্লেখ্য, চোলাই মদ একদিকে যেমন স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তেমনি এটি সমাজে অপরাধ প্রবণতাও বাড়িয়ে দেয়। তাই এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।