ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

রাজধানীতে বাড়ছে করোনা শনাক্তের হার, নতুন করে শনাক্ত ১০ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 592

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে আবারও করোনাভাইরাস শনাক্তের হার বাড়তে শুরু করেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় নতুন করে ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো নিয়মিত করোনা পরিস্থিতি বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১০৭টি নমুনা পরীক্ষায় ১০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন  চিলিতে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাট: রাজধানী সান্তিয়াগো অন্ধকারে, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

এর আগের দিন মঙ্গলবার (১০ জুন) ১০১টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছিল ১৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একই সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরও ২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৩৮০ জনে।

করোনা মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৭০ জন। এ সময় পর্যন্ত গড় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৫ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর আসে। করোনাকালে ২০২১ সালের ৫ আগস্ট ও ১০ আগস্ট এই দুই দিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন করে মৃত্যু ঘটে, যা ছিল দেশের জন্য এক শোকাবহ মাইলফলক।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সংক্রমণের হার আবারও বাড়তে থাকায় সকলকে আগের মতোই সচেতন হতে হবে। জনসমাগম এড়িয়ে চলা, নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোয়ার অভ্যাস ও টিকার বুস্টার ডোজ গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।

করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষায় স্বাস্থ্যবিধি মানা ও সচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই এমন পরামর্শই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানানো হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজন হলে আবারও কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজধানীতে বাড়ছে করোনা শনাক্তের হার, নতুন করে শনাক্ত ১০ জন

আপডেট সময় ০৮:০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

দেশে আবারও করোনাভাইরাস শনাক্তের হার বাড়তে শুরু করেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় নতুন করে ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো নিয়মিত করোনা পরিস্থিতি বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১০৭টি নমুনা পরীক্ষায় ১০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন  রমজান ও ঈদে রাজধানীর নিরাপত্তায় ‘অক্সিলারি পুলিশ ফোর্স’, গ্রেপ্তারের ক্ষমতা থাকবে

এর আগের দিন মঙ্গলবার (১০ জুন) ১০১টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছিল ১৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একই সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরও ২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৩৮০ জনে।

করোনা মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৭০ জন। এ সময় পর্যন্ত গড় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৫ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর আসে। করোনাকালে ২০২১ সালের ৫ আগস্ট ও ১০ আগস্ট এই দুই দিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন করে মৃত্যু ঘটে, যা ছিল দেশের জন্য এক শোকাবহ মাইলফলক।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সংক্রমণের হার আবারও বাড়তে থাকায় সকলকে আগের মতোই সচেতন হতে হবে। জনসমাগম এড়িয়ে চলা, নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোয়ার অভ্যাস ও টিকার বুস্টার ডোজ গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।

করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষায় স্বাস্থ্যবিধি মানা ও সচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই এমন পরামর্শই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানানো হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজন হলে আবারও কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।