ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু

পাকিস্তান সীমান্তে ধরা পড়লো তুরস্কের শীর্ষ আইএস নেতা, ভেস্তে গেল বড় হামলার ছক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 417

ছবি সংগৃহীত

 

পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় এক গোপন অভিযানে ধরা পড়েছে আইএস খোরাসান (ISKP)-এর শীর্ষ তুর্কি নেতা আবু ইয়াসির আল-তুর্কি। তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি (MİT) এই অভিযান চালায় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর সহযোগিতায়। অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির প্রকৃত নাম ওজগুর আলতুন।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ইউরোপ থেকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে জঙ্গি স্থানান্তরের নেপথ্যে সক্রিয় ছিল এই আল-তুর্কি। শুধু তাই নয়, আইএসের মিডিয়া ও লজিস্টিক শাখা পরিচালনা, তরুণদের জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করা, কনসার্টে হামলার পরিকল্পনা ও নির্দেশ দেওয়া এবং ইংরেজি ও তুর্কি ভাষায় প্রপাগান্ডা ছড়ানোয় তার ছিল সরাসরি সংশ্লিষ্টতা।

আরও পড়ুন  দীর্ঘ ৬ বছর পর পাকিস্তানকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়

তুরস্কের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, আবু ইয়াসির আল-তুর্কির গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশজুড়ে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংস হয়েছে আইএসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেল। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে বেশ কিছু গোপন নথি ও প্রযুক্তিগত ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে, যা আইএসের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের মাধ্যমে শুধু তুরস্ক নয়, গোটা অঞ্চলে আইএসের জঙ্গি তৎপরতায় বড় ধরনের ধাক্কা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন আরও অভিযান চালিয়ে আইএসের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চল জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিল। এই গ্রেপ্তার তার প্রমাণ। তবে এই ধরনের সফল অভিযানে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের পথ তৈরি সম্ভব।

এই ঘটনার পর তুরস্কের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে, একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী পদক্ষেপে নাগরিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তান সীমান্তে ধরা পড়লো তুরস্কের শীর্ষ আইএস নেতা, ভেস্তে গেল বড় হামলার ছক

আপডেট সময় ০৯:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় এক গোপন অভিযানে ধরা পড়েছে আইএস খোরাসান (ISKP)-এর শীর্ষ তুর্কি নেতা আবু ইয়াসির আল-তুর্কি। তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি (MİT) এই অভিযান চালায় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর সহযোগিতায়। অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির প্রকৃত নাম ওজগুর আলতুন।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ইউরোপ থেকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে জঙ্গি স্থানান্তরের নেপথ্যে সক্রিয় ছিল এই আল-তুর্কি। শুধু তাই নয়, আইএসের মিডিয়া ও লজিস্টিক শাখা পরিচালনা, তরুণদের জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করা, কনসার্টে হামলার পরিকল্পনা ও নির্দেশ দেওয়া এবং ইংরেজি ও তুর্কি ভাষায় প্রপাগান্ডা ছড়ানোয় তার ছিল সরাসরি সংশ্লিষ্টতা।

আরও পড়ুন  ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, উৎপত্তিস্থল হিন্দুকুশ

তুরস্কের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, আবু ইয়াসির আল-তুর্কির গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশজুড়ে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংস হয়েছে আইএসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেল। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে বেশ কিছু গোপন নথি ও প্রযুক্তিগত ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে, যা আইএসের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের মাধ্যমে শুধু তুরস্ক নয়, গোটা অঞ্চলে আইএসের জঙ্গি তৎপরতায় বড় ধরনের ধাক্কা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন আরও অভিযান চালিয়ে আইএসের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চল জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিল। এই গ্রেপ্তার তার প্রমাণ। তবে এই ধরনের সফল অভিযানে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের পথ তৈরি সম্ভব।

এই ঘটনার পর তুরস্কের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে, একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী পদক্ষেপে নাগরিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।