ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, উৎপত্তিস্থল হিন্দুকুশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 474

ছবি সংগৃহীত

 

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তানের একটি বড় অংশ। এই ঘটনায় শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, পেশোয়ার এবং খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের কয়েকটি জেলায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ভূকম্পবিদরা জানিয়েছেন, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৫। পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর নিশ্চিত করেছে, এর উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালায় এবং এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৯৫ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানকে মাঝারি পাল্লার হাইপারসনিক ডুপ্লেক্স মিসাইল দিচ্ছে চীন

পেশোয়ার, সোয়াত, চারসদ্দা এবং বুনের জেলাগুলোতে তীব্র কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কে অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। এছাড়াও লোয়ার দির ও মারদানে উল্লেখযোগ্যভাবে কম্পন টের পাওয়া গেছে। খাইবার জেলার ল্যান্ডিকোটালে মূল ভূমিকম্পের পর কয়েক দফা আফটারশকও অনুভূত হয়।

রাজধানী ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি ও পেশোয়ারের নগর এলাকায় দপ্তর ও বাসাবাড়ি থেকে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসে। সোয়াত, চিত্রাল এবং পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দারা আফটারশক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিন্দুকুশ অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ায় এ ধরনের ঝুঁকি থেকেই যায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, উৎপত্তিস্থল হিন্দুকুশ

আপডেট সময় ১২:১৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তানের একটি বড় অংশ। এই ঘটনায় শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, পেশোয়ার এবং খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের কয়েকটি জেলায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ভূকম্পবিদরা জানিয়েছেন, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৫। পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর নিশ্চিত করেছে, এর উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালায় এবং এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৯৫ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানকে মাঝারি পাল্লার হাইপারসনিক ডুপ্লেক্স মিসাইল দিচ্ছে চীন

পেশোয়ার, সোয়াত, চারসদ্দা এবং বুনের জেলাগুলোতে তীব্র কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কে অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। এছাড়াও লোয়ার দির ও মারদানে উল্লেখযোগ্যভাবে কম্পন টের পাওয়া গেছে। খাইবার জেলার ল্যান্ডিকোটালে মূল ভূমিকম্পের পর কয়েক দফা আফটারশকও অনুভূত হয়।

রাজধানী ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি ও পেশোয়ারের নগর এলাকায় দপ্তর ও বাসাবাড়ি থেকে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসে। সোয়াত, চিত্রাল এবং পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দারা আফটারশক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিন্দুকুশ অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ায় এ ধরনের ঝুঁকি থেকেই যায়।