ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলেই ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে ইন্দোনেশিয়ার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 411

ছবি: সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলে ইসরায়েলকে কূটনৈতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত ইন্দোনেশিয়া। বুধবার (২৮ মে) জাকার্তায় সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

প্রাবোও স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইসরায়েল যদি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে ইন্দোনেশিয়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়ে ফ্রান্স তাদের আগের অবস্থান ধরে রাখবে।

আরও পড়ুন  ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু

সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় হচ্ছে দ্বিরাষ্ট্র সমাধান। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং একইসঙ্গে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’

বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ববর্তী সরকার সীমিত পর্যায়ে, বিশেষ করে বাণিজ্যিক খাতে কিছু যোগাযোগ রাখলেও, উন্মুক্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বরাবরই অনাগ্রহ দেখিয়েছে। তবে গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় ইন্দোনেশিয়াকে।

গত বছরের শুরুতে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে ইন্দোনেশিয়া সরকার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের করে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দোনেশিয়ার এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। তেল আবিব যদি সত্যিই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তবে মুসলিম বিশ্বের আরও কিছু দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের পথে হাঁটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও টাইমস অব ইসরাইল

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলেই ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে ইন্দোনেশিয়ার

আপডেট সময় ০৩:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলে ইসরায়েলকে কূটনৈতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত ইন্দোনেশিয়া। বুধবার (২৮ মে) জাকার্তায় সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

প্রাবোও স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইসরায়েল যদি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে ইন্দোনেশিয়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়ে ফ্রান্স তাদের আগের অবস্থান ধরে রাখবে।

আরও পড়ুন  সহিংসতার উসকানি! ফিলিস্তিন ইস্যুতে দুই ইসরায়েলি মন্ত্রীকে পাঁচ দেশের নিষেধাজ্ঞা

সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় হচ্ছে দ্বিরাষ্ট্র সমাধান। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং একইসঙ্গে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’

বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ববর্তী সরকার সীমিত পর্যায়ে, বিশেষ করে বাণিজ্যিক খাতে কিছু যোগাযোগ রাখলেও, উন্মুক্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বরাবরই অনাগ্রহ দেখিয়েছে। তবে গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় ইন্দোনেশিয়াকে।

গত বছরের শুরুতে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে ইন্দোনেশিয়া সরকার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের করে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দোনেশিয়ার এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। তেল আবিব যদি সত্যিই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তবে মুসলিম বিশ্বের আরও কিছু দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের পথে হাঁটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও টাইমস অব ইসরাইল