ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ব্রাসেলসে যুদ্ধবিরতি ও ন্যায়বিচারের দাবিতে ফিলিস্তিনের পক্ষে গণবিক্ষোভ

ফিলিস্তিন, গণবিক্ষোভ, ন্যায়বিচার
  • আপডেট সময় ০১:২৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 296

ছবি সংগৃহীত

 

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে গতকাল রবিবার দুপুরে হাজারো মানুষ এক বিশাল বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন, যেখানে ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়। বিক্ষোভকারীরা গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং ফিলিস্তিনিদের ন্যায়বিচার দাবি করেন।

বিক্ষোভে প্রায় ৬০টি বেসরকারি সংগঠন তাদের সমর্থন জানায়। ব্রাসেলসের উত্তর স্টেশনের কাছে বুলেভার্ড সাইমন বলিভার থেকে এই বিক্ষোভ শুরু হয় এবং শহরের খাল ধরে দক্ষিণ স্টেশনের দিকে অগ্রসর হয়। বিকেল ৩টার দিকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে বিক্ষোভকারীরা ‘ফ্রি, ফ্রি ফিলিস্তিন’ শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠেন। অনেকেই ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

আরও পড়ুন  রাফাহ সীমান্ত আংশিক খুলতেই গাজায় ফেরার পথে ফিলিস্তিনিরা, যুদ্ধের মধ্যেও নতুন জীবনের স্বপ্ন

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা একটি বিশাল সাদা ব্যানার বহন করেন, যেখানে চলমান সংঘাতে নিহত হওয়া অসংখ্য ফিলিস্তিনির নাম লিপিবদ্ধ ছিল।

এটি ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ফিলিস্তিনপন্থী নবম বৃহৎ বিক্ষোভ, যা এবার ফিলিস্তিনিদের ৭৭তম ‘নাকবা’ দিবসের সঙ্গে মিল রেখে আয়োজন করা হয়। ‘নাকবা’ শব্দটি আরবিতে বিপর্যয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েলের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় লক্ষাধিক ফিলিস্তিনিকে তাদের নিজ ভূমি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল, যা ‘নাকবা’ হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত।

বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন বেলজিয়াম-ফিলিস্তিনি অ্যাসোসিয়েশন (বিপি), অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফিলিস্তিনি সংগঠন বেইতনা, ট্রেড ইউনিয়ন এফজিটিবি ও সিএসসি এবং বেলজিয়ামের প্রগ্রেসিভ ইহুদি ইউনিয়ন (ইউপিজেবি) সহ আরও কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন।

আয়োজকেরা বেলজিয়ান সরকারের কাছে আহ্বান জানান, গাজায় ইসরায়েলের পরিকল্পিত মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। পাশাপাশি তারা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতিগত নির্মূল প্রকল্পের বিরোধিতা করার জন্য সরকারের ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

বিক্ষোভকারীদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে ছিল ইসরায়েলের ওপর পূর্ণ সামরিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সহযোগিতা চুক্তি স্থগিত করা।

সূত্র: দ্য ব্রাসেলস টাইমস

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাসেলসে যুদ্ধবিরতি ও ন্যায়বিচারের দাবিতে ফিলিস্তিনের পক্ষে গণবিক্ষোভ

আপডেট সময় ০১:২৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে গতকাল রবিবার দুপুরে হাজারো মানুষ এক বিশাল বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন, যেখানে ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়। বিক্ষোভকারীরা গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং ফিলিস্তিনিদের ন্যায়বিচার দাবি করেন।

বিক্ষোভে প্রায় ৬০টি বেসরকারি সংগঠন তাদের সমর্থন জানায়। ব্রাসেলসের উত্তর স্টেশনের কাছে বুলেভার্ড সাইমন বলিভার থেকে এই বিক্ষোভ শুরু হয় এবং শহরের খাল ধরে দক্ষিণ স্টেশনের দিকে অগ্রসর হয়। বিকেল ৩টার দিকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে বিক্ষোভকারীরা ‘ফ্রি, ফ্রি ফিলিস্তিন’ শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠেন। অনেকেই ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

আরও পড়ুন  ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রীর পশ্চিম তীর যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করলো ইসরায়েল

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা একটি বিশাল সাদা ব্যানার বহন করেন, যেখানে চলমান সংঘাতে নিহত হওয়া অসংখ্য ফিলিস্তিনির নাম লিপিবদ্ধ ছিল।

এটি ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ফিলিস্তিনপন্থী নবম বৃহৎ বিক্ষোভ, যা এবার ফিলিস্তিনিদের ৭৭তম ‘নাকবা’ দিবসের সঙ্গে মিল রেখে আয়োজন করা হয়। ‘নাকবা’ শব্দটি আরবিতে বিপর্যয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েলের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় লক্ষাধিক ফিলিস্তিনিকে তাদের নিজ ভূমি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল, যা ‘নাকবা’ হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত।

বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন বেলজিয়াম-ফিলিস্তিনি অ্যাসোসিয়েশন (বিপি), অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফিলিস্তিনি সংগঠন বেইতনা, ট্রেড ইউনিয়ন এফজিটিবি ও সিএসসি এবং বেলজিয়ামের প্রগ্রেসিভ ইহুদি ইউনিয়ন (ইউপিজেবি) সহ আরও কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন।

আয়োজকেরা বেলজিয়ান সরকারের কাছে আহ্বান জানান, গাজায় ইসরায়েলের পরিকল্পিত মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। পাশাপাশি তারা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতিগত নির্মূল প্রকল্পের বিরোধিতা করার জন্য সরকারের ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

বিক্ষোভকারীদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে ছিল ইসরায়েলের ওপর পূর্ণ সামরিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সহযোগিতা চুক্তি স্থগিত করা।

সূত্র: দ্য ব্রাসেলস টাইমস