ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ড. ইউনূসের টিকে থাকা বিএনপির সমর্থনের ফল: শামসুজ্জামান দুদু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 387

ছবি সংগৃহীত

 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজও দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছেন বিএনপির সমর্থনের কারণেই। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যাকে সমর্থন করছি, তিনি হচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস। বিএনপি যদি সমর্থন প্রত্যাহার করে, তাহলে তিনি কোথায় থাকবেন, সেটা তিনিও জানেন না কিংবা তাকে বুঝতেও দেওয়া হচ্ছে না।”

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সাবেক মন্ত্রী সুনীল গুপ্তের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  তাঁত শিল্প নিয়ে বড় পরিকল্পনার কথা জানালেন তারেক রহমান

দুদু বলেন, দেশে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমরা ইউনূসকে সমর্থন করি, যাতে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধার হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কথা বললে সেটা যেনো অপরাধ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “গত ১৫-১৬ বছর ধরে আমরা রাজপথে লড়াই করছি। এই লড়াই তখনই শেষ হবে, যখন একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, সবাইকে তা মনে রাখতে হবে।”

গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দুদু বলেন, “কেউ কেউ বলেন, কোনো দলকে ক্ষমতায় আনতে গণঅভ্যুত্থান হয় না। আমি বলি, তাহলে কি সামরিক শক্তি আসবে? নির্বাচনের বাইরে কোনো পথ নেই গণতন্ত্রে উত্তরণের।”

তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে একটি রাজনৈতিক সরকারের প্রয়োজন, যা নির্বাচন থেকেই আসবে। “আমি বলছি না, বিএনপি-ই শুধু ক্ষমতায় আসবে। যে দলই আসুক, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আসুক এবং দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখুক।”

বিএনপির প্রতি আস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “দেশে বিএনপি ছাড়া আর কোনো শক্তিশালী দল নেই যারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখতে পারে। কেউ যদি বিএনপিকে বাদ দিতে চায়, তাদের উচিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং সুনীল গুপ্তের রাজনৈতিক অবদানের দিকে তাকানো।”

স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। আরও বক্তব্য দেন নাজমুল হক নান্নু, বিজন কান্তি সরকার, শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, এবিএম আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।

শামসুজ্জামান দুদু সুনীল গুপ্তের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। আমরা যদি এমন নেতাদের অবদান আড়াল করি, তবে বাংলাদেশ দুর্বল হয়ে পড়বে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ড. ইউনূসের টিকে থাকা বিএনপির সমর্থনের ফল: শামসুজ্জামান দুদু

আপডেট সময় ০৮:২৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজও দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছেন বিএনপির সমর্থনের কারণেই। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যাকে সমর্থন করছি, তিনি হচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস। বিএনপি যদি সমর্থন প্রত্যাহার করে, তাহলে তিনি কোথায় থাকবেন, সেটা তিনিও জানেন না কিংবা তাকে বুঝতেও দেওয়া হচ্ছে না।”

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সাবেক মন্ত্রী সুনীল গুপ্তের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস।

দুদু বলেন, দেশে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমরা ইউনূসকে সমর্থন করি, যাতে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধার হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কথা বললে সেটা যেনো অপরাধ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “গত ১৫-১৬ বছর ধরে আমরা রাজপথে লড়াই করছি। এই লড়াই তখনই শেষ হবে, যখন একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, সবাইকে তা মনে রাখতে হবে।”

গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দুদু বলেন, “কেউ কেউ বলেন, কোনো দলকে ক্ষমতায় আনতে গণঅভ্যুত্থান হয় না। আমি বলি, তাহলে কি সামরিক শক্তি আসবে? নির্বাচনের বাইরে কোনো পথ নেই গণতন্ত্রে উত্তরণের।”

তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে একটি রাজনৈতিক সরকারের প্রয়োজন, যা নির্বাচন থেকেই আসবে। “আমি বলছি না, বিএনপি-ই শুধু ক্ষমতায় আসবে। যে দলই আসুক, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আসুক এবং দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখুক।”

বিএনপির প্রতি আস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “দেশে বিএনপি ছাড়া আর কোনো শক্তিশালী দল নেই যারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখতে পারে। কেউ যদি বিএনপিকে বাদ দিতে চায়, তাদের উচিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং সুনীল গুপ্তের রাজনৈতিক অবদানের দিকে তাকানো।”

স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। আরও বক্তব্য দেন নাজমুল হক নান্নু, বিজন কান্তি সরকার, শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, এবিএম আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।

শামসুজ্জামান দুদু সুনীল গুপ্তের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। আমরা যদি এমন নেতাদের অবদান আড়াল করি, তবে বাংলাদেশ দুর্বল হয়ে পড়বে।”