ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
শিরোনাম :
নিরাপত্তার কারণে কি ঠিকানা বদলাচ্ছেন সালমান? রেস্টুরেন্টে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর লক্ষ্মীপুরে মা-তিন মেয়েকে হত্যা, অভিযুক্তের পরিচয় নিয়ে নতুন তথ্য মেট্রোরেলে অর্ধেক ভাড়ার সুবিধা পাচ্ছেন যারা পররাষ্ট্রনীতির নতুন বেঞ্চমার্ক স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর: অর্থমন্ত্রী এডিসের লার্ভা রেস্তোরাঁ ও বাসাবাড়ির বেশি: প্রতিমন্ত্রী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী আইসিসির অর্থায়ন বন্ধের অনুরোধ, বুলবুলের অস্বীকার অলিম্পিক দিবসে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

গাজীপুরে বিস্ফোরণে দগ্ধ গার্মেন্টস কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 440

ছবি সংগৃহীত

 

গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার মোগরখাল এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ সীমা আক্তার (৩০) মারা গেছেন। তিনি গার্মেন্টস কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ফিমেল এইচডিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন  গাজীপুর সিটিতে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে জিএমপি কমিশনারের সঙ্গে ইসলামী ছাত্রশিবিরের মতবিনিময় ও স্মারকলিপি প্রদান

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারী-শিশুসহ পাঁচজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে সীমা নামে এক নারী আজ সকাল সোয়া ৯টায় এইচডিওতে মারা যান। তার শরীর ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এছাড়া পারভীনের শরীরের ৩২ শতাংশ, তানজিলার শরীরের ৯০ শতাংশ, তাসলিমার শরীরের ৯৫ শতাংশ এবং শিশু আয়ানের শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এইচডিইউতে চিকিৎসা চলছে। তাদের মধ্যে তাসলিমা ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

মৃত সীমার স্বামী মো. আলহাজ জানান, আমি এবং আমার স্ত্রী সীমা দুজনেই গার্মেন্টস কর্মী। গতকাল সন্ধ্যার দিকে পাশের বাড়িতে রান্নার কাজ চলছিল। এ সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আমার স্ত্রী ও এক শিশুসহ পাঁচজন শরীরে দগ্ধ হন। প্রথমে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাদের জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। আজ সকালে আমার স্ত্রী এইচডিইউতে মারা যান।

উল্লেখ্য, রোববার (২৭ এপ্রিল) গাজীপুরের জয়দেবপুরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। দগ্ধরা হলেন— সীমা আক্তার (৩০), পারভিন আক্তার (৩৫) ও তার শিশু ছেলে আয়ান (১), তাসলিমা বেগম (৩০) ও তার মেয়ে তানজিলা বেগম (১০)।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুরে বিস্ফোরণে দগ্ধ গার্মেন্টস কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট সময় ০১:২৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার মোগরখাল এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ সীমা আক্তার (৩০) মারা গেছেন। তিনি গার্মেন্টস কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ফিমেল এইচডিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে সোয়েটার কারখানায় আগুন, এক ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারী-শিশুসহ পাঁচজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে সীমা নামে এক নারী আজ সকাল সোয়া ৯টায় এইচডিওতে মারা যান। তার শরীর ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এছাড়া পারভীনের শরীরের ৩২ শতাংশ, তানজিলার শরীরের ৯০ শতাংশ, তাসলিমার শরীরের ৯৫ শতাংশ এবং শিশু আয়ানের শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এইচডিইউতে চিকিৎসা চলছে। তাদের মধ্যে তাসলিমা ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

মৃত সীমার স্বামী মো. আলহাজ জানান, আমি এবং আমার স্ত্রী সীমা দুজনেই গার্মেন্টস কর্মী। গতকাল সন্ধ্যার দিকে পাশের বাড়িতে রান্নার কাজ চলছিল। এ সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আমার স্ত্রী ও এক শিশুসহ পাঁচজন শরীরে দগ্ধ হন। প্রথমে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাদের জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। আজ সকালে আমার স্ত্রী এইচডিইউতে মারা যান।

উল্লেখ্য, রোববার (২৭ এপ্রিল) গাজীপুরের জয়দেবপুরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। দগ্ধরা হলেন— সীমা আক্তার (৩০), পারভিন আক্তার (৩৫) ও তার শিশু ছেলে আয়ান (১), তাসলিমা বেগম (৩০) ও তার মেয়ে তানজিলা বেগম (১০)।