ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

পানামা ও সুয়েজ খাল দিয়ে ফ্রিতে মার্কিন জাহাজ চলাচলের দাবি ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 424

ছবি সংগৃহীত

 

 

পানামা ও সুয়েজ খাল দিয়ে মার্কিন সামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বিনামূল্যে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে হত্যার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের: মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্প কয়েক মাস ধরেই পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলে আসছেন। এবার তার নজর পড়েছে সুয়েজ খালের দিকেও।

ট্রুথ সোশ্যালে এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “আমেরিকান সামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজকে পানামা ও সুয়েজ খাল দিয়ে ফ্রি চলাচলের অনুমতি দেওয়া উচিত।” তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের অস্তিত্বই থাকত না।

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুইনো সরাসরি তার নাম উল্লেখ না করে বলেন, পানামা খালের টোল ফি নিয়ন্ত্রণ করে একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা – পানামা খাল কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চুক্তি বা আলোচনা নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক জলপথ নিয়ে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য কূটনৈতিকভাবে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে। পানামা ও সুয়েজ খাল বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পথ, যার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অতীতে বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি সরগরম হয়েছে।

উল্লেখ্য, পানামা খাল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯১৪ সালে খালটি চালু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে এটি পরিচালিত হতো। পরে ১৯৯৯ সালে পানামার হাতে খালের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করা হয়। অন্যদিকে, সুয়েজ খালটি মিশরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এটি ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সরাসরি নৌপথের অন্যতম প্রধান সেতুবন্ধন।

বিশ্ব রাজনীতিতে এই দুই খালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্পের এমন দাবি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

নিউজটি শেয়ার করুন

পানামা ও সুয়েজ খাল দিয়ে ফ্রিতে মার্কিন জাহাজ চলাচলের দাবি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১২:০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

 

 

পানামা ও সুয়েজ খাল দিয়ে মার্কিন সামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বিনামূল্যে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  শীর্ষ আদালতকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: "হস্তক্ষেপ বন্ধ না হলে দেশ বিপদে পড়বে"

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্প কয়েক মাস ধরেই পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলে আসছেন। এবার তার নজর পড়েছে সুয়েজ খালের দিকেও।

ট্রুথ সোশ্যালে এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “আমেরিকান সামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজকে পানামা ও সুয়েজ খাল দিয়ে ফ্রি চলাচলের অনুমতি দেওয়া উচিত।” তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের অস্তিত্বই থাকত না।

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুইনো সরাসরি তার নাম উল্লেখ না করে বলেন, পানামা খালের টোল ফি নিয়ন্ত্রণ করে একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা – পানামা খাল কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চুক্তি বা আলোচনা নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক জলপথ নিয়ে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য কূটনৈতিকভাবে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে। পানামা ও সুয়েজ খাল বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পথ, যার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অতীতে বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি সরগরম হয়েছে।

উল্লেখ্য, পানামা খাল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯১৪ সালে খালটি চালু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে এটি পরিচালিত হতো। পরে ১৯৯৯ সালে পানামার হাতে খালের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করা হয়। অন্যদিকে, সুয়েজ খালটি মিশরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এটি ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সরাসরি নৌপথের অন্যতম প্রধান সেতুবন্ধন।

বিশ্ব রাজনীতিতে এই দুই খালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্পের এমন দাবি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।