ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

ঝালকাঠিতে খেসারি ডাল চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা, উন্নয়নের পথে কৃষকের স্বপ্ন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 609

ছবি: সংগৃহীত

 

বরিশালের ঝালকাঠি জেলার কৃষকরা এবার নতুন আশায় বুক বাঁধছেন। ধানচাষের পাশাপাশি খেসারি ডাল চাষে তারা অনেকটাই এগিয়ে গেছে। বিশেষত রমজান মাসে এর চাহিদা বেড়ে যায়, এবং এর ফলে কৃষকরা এখন আর্থিক দিক থেকেও লাভবান হচ্ছেন।

ঝালকাঠি জেলার চার উপজেলায় খেসারি ডালের চাষ এবার ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলার ৩২টি ইউনিয়নে ৭ হাজার ৪৯৫ হেক্টর জমিতে খেসারি চাষ হয়েছে। এই ডালটির চাষ করতে কৃষকরা বিশেষ রিলে ফসল পদ্ধতি অনুসরণ করছেন। নভেম্বর মাসে ধান ক্ষেতের জমিতে খেসারি বীজ ছিটিয়ে দেওয়া হয়, যা পরে ভালো ফলন নিশ্চিত করে। এ পদ্ধতির সুবিধা হলো, এতে জমি তৈরির খরচ কমে যায় এবং আবাদী জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন  ঝালকাঠিতে অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

খেসারি ডাল শুধুমাত্র খাবারের উপাদান হিসেবেই নয়, শাক হিসেবে ও জনপ্রিয়। গ্রাম থেকে শহরে এর চাহিদা রয়েছে। কৃষকরা জানান, বিঘাপ্রতি প্রায় ২০০ কেজি খেসারি ডাল পাওয়ার আশা করছেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার টাকা। এছাড়া খেসারি ডাল চাষে তেমন কোনো খরচ নেই, এবং এর শাক ও গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের সুযোগও কৃষকদের বাড়তি লাভ দিচ্ছে।

কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম জানান, এই বছর খেসারি ডালের ফলন অত্যন্ত ভালো হবে, এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা একদিকে যেমন ভালো ফলন পাচ্ছেন, তেমনি পরবর্তী বছরগুলোর জন্য জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বছর খেসারি চাষে কৃষকরা যে সফলতা অর্জন করবেন, তাতে তাদের স্বপ্নের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে যাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝালকাঠিতে খেসারি ডাল চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা, উন্নয়নের পথে কৃষকের স্বপ্ন

আপডেট সময় ১২:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বরিশালের ঝালকাঠি জেলার কৃষকরা এবার নতুন আশায় বুক বাঁধছেন। ধানচাষের পাশাপাশি খেসারি ডাল চাষে তারা অনেকটাই এগিয়ে গেছে। বিশেষত রমজান মাসে এর চাহিদা বেড়ে যায়, এবং এর ফলে কৃষকরা এখন আর্থিক দিক থেকেও লাভবান হচ্ছেন।

ঝালকাঠি জেলার চার উপজেলায় খেসারি ডালের চাষ এবার ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলার ৩২টি ইউনিয়নে ৭ হাজার ৪৯৫ হেক্টর জমিতে খেসারি চাষ হয়েছে। এই ডালটির চাষ করতে কৃষকরা বিশেষ রিলে ফসল পদ্ধতি অনুসরণ করছেন। নভেম্বর মাসে ধান ক্ষেতের জমিতে খেসারি বীজ ছিটিয়ে দেওয়া হয়, যা পরে ভালো ফলন নিশ্চিত করে। এ পদ্ধতির সুবিধা হলো, এতে জমি তৈরির খরচ কমে যায় এবং আবাদী জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন  ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’—বরিশালে তথ্যমন্ত্রীর

খেসারি ডাল শুধুমাত্র খাবারের উপাদান হিসেবেই নয়, শাক হিসেবে ও জনপ্রিয়। গ্রাম থেকে শহরে এর চাহিদা রয়েছে। কৃষকরা জানান, বিঘাপ্রতি প্রায় ২০০ কেজি খেসারি ডাল পাওয়ার আশা করছেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার টাকা। এছাড়া খেসারি ডাল চাষে তেমন কোনো খরচ নেই, এবং এর শাক ও গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের সুযোগও কৃষকদের বাড়তি লাভ দিচ্ছে।

কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম জানান, এই বছর খেসারি ডালের ফলন অত্যন্ত ভালো হবে, এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা একদিকে যেমন ভালো ফলন পাচ্ছেন, তেমনি পরবর্তী বছরগুলোর জন্য জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বছর খেসারি চাষে কৃষকরা যে সফলতা অর্জন করবেন, তাতে তাদের স্বপ্নের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে যাবেন।