ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

প্রথমবার মোংলা বন্দরে রেলপথে পণ্য পরিবহন: নতুন দিগন্তের সূচনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 497

ছবি সংগৃহীত

 

মোংলা বন্দর দিয়ে রেলপথে পণ্য পরিবহন শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ৩০টি ওয়াগনে প্রায় এক হাজার ৫০ টন চিটাগুড় সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি পৌঁছেছে। বাকী পণ্য সড়কপথ ও রেলপথে ধাপে ধাপে পরিবহন করা হবে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ পরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি পানামা পতাকাবাহী এমটি ডলফিন-১৯ জাহাজে প্রায় ১৫০০ মেট্রিকটন চিটাগুড় মোংলা বন্দরে আসে। এই পণ্য পরে ইউনাইটেড রিফাইনারি অ্যান্ড বাল্ক স্টোরেজ লিমিটেডে সংরক্ষণ করা হয়। গত শুক্রবার থেকে সেই পণ্য রেলপথে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, পাসপোর্টযাত্রী পারাপার স্বাভাবিক

তবে, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এই রেলপথে পণ্য পরিবহন আনুষ্ঠানিক নয়। খুলনা-মোংলা রেলপথের জন্য একটি বৃহত্তর পরিকল্পনা রয়েছে, তবে তা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের তৎপরতা প্রয়োজন।

বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে খুলনা-মোংলা রেলপথ একটি মেগা প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল মোংলা বন্দরের সঙ্গে দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপন এবং আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন সহজতর করা। কিন্তু দীর্ঘদিনেও প্রকল্পটি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বেড়ে চলছে।

মোংলা বন্দর বার্থ-শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হোসেন বলেন, “পণ্য পরিবহন ট্রেন চালু না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা উপকৃত হচ্ছেন না। মোংলা বন্দর থেকে সরাসরি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পণ্য পরিবহন করতে হবে।”

২০১০ সালের ২১ ডিসেম্বর একনেকে অনুমোদিত এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ৪,২৬১ কোটি টাকা, যার মধ্যে ২,৯৪৮ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রথমবার মোংলা বন্দরে রেলপথে পণ্য পরিবহন: নতুন দিগন্তের সূচনা

আপডেট সময় ১২:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মোংলা বন্দর দিয়ে রেলপথে পণ্য পরিবহন শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ৩০টি ওয়াগনে প্রায় এক হাজার ৫০ টন চিটাগুড় সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি পৌঁছেছে। বাকী পণ্য সড়কপথ ও রেলপথে ধাপে ধাপে পরিবহন করা হবে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ পরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি পানামা পতাকাবাহী এমটি ডলফিন-১৯ জাহাজে প্রায় ১৫০০ মেট্রিকটন চিটাগুড় মোংলা বন্দরে আসে। এই পণ্য পরে ইউনাইটেড রিফাইনারি অ্যান্ড বাল্ক স্টোরেজ লিমিটেডে সংরক্ষণ করা হয়। গত শুক্রবার থেকে সেই পণ্য রেলপথে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম বন্দর ঘুরে দেখলেন প্রধান উপদেষ্টা

তবে, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এই রেলপথে পণ্য পরিবহন আনুষ্ঠানিক নয়। খুলনা-মোংলা রেলপথের জন্য একটি বৃহত্তর পরিকল্পনা রয়েছে, তবে তা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের তৎপরতা প্রয়োজন।

বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে খুলনা-মোংলা রেলপথ একটি মেগা প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল মোংলা বন্দরের সঙ্গে দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপন এবং আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন সহজতর করা। কিন্তু দীর্ঘদিনেও প্রকল্পটি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বেড়ে চলছে।

মোংলা বন্দর বার্থ-শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হোসেন বলেন, “পণ্য পরিবহন ট্রেন চালু না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা উপকৃত হচ্ছেন না। মোংলা বন্দর থেকে সরাসরি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পণ্য পরিবহন করতে হবে।”

২০১০ সালের ২১ ডিসেম্বর একনেকে অনুমোদিত এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ৪,২৬১ কোটি টাকা, যার মধ্যে ২,৯৪৮ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ।