ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী পেশা বদলের অনুমতি দিল কুয়েত সরকার অনুমতি মেলেনি ইরানের, হরমুজ প্রণালিতে আটকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’ গরুর দুধের পুষ্টি ও শিশুর নিরাপত্তা: মায়েদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্য টিপস সরকারের দুই মাস পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলন আবারও আলোচনার তারিখ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হচ্ছেন যারা টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা

লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, দুই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 84

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে কেবিনের ভেতরে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি রাজধানীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে। অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমুরদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া ফারহান–০৪ নামের একটি লঞ্চে ওই শিক্ষার্থীকে ৩২৮ নম্বর কেবিনে তুলে দেন তার বাবা। একই সময়ে ওই লঞ্চে ওঠেন মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২) নামে দুই ব্যক্তি।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লঞ্চ ছেড়ে দেওয়ার কিছু সময় পর অভিযুক্তরা কেবিনের দরজায় নক করে নিজেদের ভুক্তভোগীর বাবার পরিচিত বলে দাবি করেন। তারা মোটরসাইকেল কেনার জন্য সঙ্গে থাকা কিছু টাকা নিরাপত্তার জন্য কেবিনে রাখার অনুরোধ করলে সরল বিশ্বাসে শিক্ষার্থীটি তাদের কথা মেনে নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নোয়াখালীর সেই ‘ধর্ষণকাণ্ড’: ছয়জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, পরে অভিযুক্তরা কৌশলে কেবিনে প্রবেশ করে কথাবার্তার একপর্যায়ে শিক্ষার্থীকে অশালীন প্রস্তাব দেয়। এতে তিনি রাজি না হলে তাকে জোরপূর্বক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় অপর অভিযুক্ত তার মোবাইল ফোন নিয়ে কেবিনের বাইরে চলে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

পরিবারের দাবি, পরে ওই শিক্ষার্থী চিৎকার করার চেষ্টা করলে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাতে আবারও অভিযুক্তরা কেবিনে প্রবেশ করে এবং পুনরায় নির্যাতন চালায়।

ঘটনার পর শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, দুই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে কেবিনের ভেতরে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি রাজধানীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে। অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমুরদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া ফারহান–০৪ নামের একটি লঞ্চে ওই শিক্ষার্থীকে ৩২৮ নম্বর কেবিনে তুলে দেন তার বাবা। একই সময়ে ওই লঞ্চে ওঠেন মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২) নামে দুই ব্যক্তি।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লঞ্চ ছেড়ে দেওয়ার কিছু সময় পর অভিযুক্তরা কেবিনের দরজায় নক করে নিজেদের ভুক্তভোগীর বাবার পরিচিত বলে দাবি করেন। তারা মোটরসাইকেল কেনার জন্য সঙ্গে থাকা কিছু টাকা নিরাপত্তার জন্য কেবিনে রাখার অনুরোধ করলে সরল বিশ্বাসে শিক্ষার্থীটি তাদের কথা মেনে নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নোয়াখালীতে ভবনের ছাদ থেকে পড়ে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, পরে অভিযুক্তরা কৌশলে কেবিনে প্রবেশ করে কথাবার্তার একপর্যায়ে শিক্ষার্থীকে অশালীন প্রস্তাব দেয়। এতে তিনি রাজি না হলে তাকে জোরপূর্বক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় অপর অভিযুক্ত তার মোবাইল ফোন নিয়ে কেবিনের বাইরে চলে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

পরিবারের দাবি, পরে ওই শিক্ষার্থী চিৎকার করার চেষ্টা করলে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাতে আবারও অভিযুক্তরা কেবিনে প্রবেশ করে এবং পুনরায় নির্যাতন চালায়।

ঘটনার পর শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া চলছে।