ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন
হেলথ টিপস

স্কেবিস (Scabies) এবং দাউদ (Leprosy) এই দুটি রোগ বর্তমানে মহামারী হয়ে এসেছে, করণীয় কি?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 457

ছবি সংগৃহীত

 

স্কেবিস (Scabies) এবং দাউদ (Leprosy) দুটি রোগই খুবই সংক্রামক এবং দীর্ঘকাল ধরে চিকিৎসা না হলে মানুষের জীবনযাত্রার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে, এই রোগগুলির প্রতি সচেতনতা, দ্রুত চিকিৎসা ও সঠিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে মহামারী পরিস্থিতি রোধ করা সম্ভব।

স্কেবিস (Scabies): স্কেবিস হলো একটি চর্মরোগ যা কৃমি (মাইট) দ্বারা সংক্রমিত হয়। এটি ত্বকের সংক্রমণের ফলে চুলকানি, লাল দাগ এবং ফুসকুড়ি তৈরি করে।

আরও পড়ুন  পরিবর্তনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

করণীয়: চিকিৎসা: স্কেবিসের জন্য প্রেস্ক্রাইব করা ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে হবে। সাধারণত, এটি চিকিৎসক দ্বারা নির্ধারিত হয়।

স্বাস্থ্যবিধি: স্কেবিস খুব সহজে মানুষের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানা, তোয়ালে ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।

প্রতিরোধ: আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবেষ্টিত লোকদের একসঙ্গে চিকিৎসা নেওয়া উচিত। শখ ও শোবার জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

দাউদ (Leprosy): দাউদ, বা কলেরা, একটি দীর্ঘস্থায়ী সংক্রামক রোগ যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম লেপরি নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়। এটি ত্বক, স্নায়ু, শ্বাসতন্ত্র এবং চোখে ক্ষতি করতে পারে।

করণীয়: চিকিৎসা: দাউদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি প্রয়োজন। রোগটি সময়মতো চিহ্নিত ও চিকিৎসা করা হলে সম্পূর্ণরূপে নিরাময় সম্ভব।

প্রতিরোধ: দাউদ সংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এড়ানো উচিত। সঠিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

সচেতনতা বৃদ্ধি: সমাজে দাউদ নিয়ে ভীতি ও ভুল ধারণা থাকলেও রোগটি নিরাময়যোগ্য, তাই জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কর্মসূচি গঠন করা দরকার।

সাধারণ পরামর্শ:

  • আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা শুরুর পর অবিলম্বে আলাদা করা উচিত, যাতে অন্যরা আক্রান্ত না হয়।
  • স্যানিটেশন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।
  • রোগীদের পুরো চিকিৎসা নেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন, কারণ অসম্পূর্ণ চিকিৎসা রোগটি আরও কঠিন করতে পারে।

এই রোগগুলির দ্রুত চিহ্নিতকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রমের মাধ্যমে মহামারী পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

হেলথ টিপস

স্কেবিস (Scabies) এবং দাউদ (Leprosy) এই দুটি রোগ বর্তমানে মহামারী হয়ে এসেছে, করণীয় কি?

আপডেট সময় ১২:৩১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

 

স্কেবিস (Scabies) এবং দাউদ (Leprosy) দুটি রোগই খুবই সংক্রামক এবং দীর্ঘকাল ধরে চিকিৎসা না হলে মানুষের জীবনযাত্রার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে, এই রোগগুলির প্রতি সচেতনতা, দ্রুত চিকিৎসা ও সঠিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে মহামারী পরিস্থিতি রোধ করা সম্ভব।

স্কেবিস (Scabies): স্কেবিস হলো একটি চর্মরোগ যা কৃমি (মাইট) দ্বারা সংক্রমিত হয়। এটি ত্বকের সংক্রমণের ফলে চুলকানি, লাল দাগ এবং ফুসকুড়ি তৈরি করে।

আরও পড়ুন  বুড়িচংয়ে মাদক ব্যাবসায়ীদের হামলায় বিএনপি নেতার মৃত্যু

করণীয়: চিকিৎসা: স্কেবিসের জন্য প্রেস্ক্রাইব করা ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে হবে। সাধারণত, এটি চিকিৎসক দ্বারা নির্ধারিত হয়।

স্বাস্থ্যবিধি: স্কেবিস খুব সহজে মানুষের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানা, তোয়ালে ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।

প্রতিরোধ: আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবেষ্টিত লোকদের একসঙ্গে চিকিৎসা নেওয়া উচিত। শখ ও শোবার জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

দাউদ (Leprosy): দাউদ, বা কলেরা, একটি দীর্ঘস্থায়ী সংক্রামক রোগ যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম লেপরি নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়। এটি ত্বক, স্নায়ু, শ্বাসতন্ত্র এবং চোখে ক্ষতি করতে পারে।

করণীয়: চিকিৎসা: দাউদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি প্রয়োজন। রোগটি সময়মতো চিহ্নিত ও চিকিৎসা করা হলে সম্পূর্ণরূপে নিরাময় সম্ভব।

প্রতিরোধ: দাউদ সংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এড়ানো উচিত। সঠিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

সচেতনতা বৃদ্ধি: সমাজে দাউদ নিয়ে ভীতি ও ভুল ধারণা থাকলেও রোগটি নিরাময়যোগ্য, তাই জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কর্মসূচি গঠন করা দরকার।

সাধারণ পরামর্শ:

  • আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা শুরুর পর অবিলম্বে আলাদা করা উচিত, যাতে অন্যরা আক্রান্ত না হয়।
  • স্যানিটেশন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।
  • রোগীদের পুরো চিকিৎসা নেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন, কারণ অসম্পূর্ণ চিকিৎসা রোগটি আরও কঠিন করতে পারে।

এই রোগগুলির দ্রুত চিহ্নিতকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রমের মাধ্যমে মহামারী পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।