ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাবাকে হত্যায় ছেলে ও ভাইপোর মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 23

ছবি সংগৃহীত

 

রাঙ্গামাটির সাজেকে শান্তি লাল চাকমাকে হত্যার দায়ে তাঁর ছেলে সোহেল চাকমা ও ভাইপো আলোময় চাকমাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণ আহ্বান, কঠিন পরিণতির হুমকি নতুন প্রেসিডেন্টের- ১৬২ আসাদপন্থির ‘মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রাতে সাজেক থানার উত্তর ভাইবোনছড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে শান্তি লাল চাকমাকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান আসামিরা। পরে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ এবং ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ গঙ্গারাম নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার নয় দিন পর কাচালং নদী থেকে শান্তি লাল চাকমার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও আদালতে উপস্থাপিত নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

রায়ে বলা হয়েছে, দণ্ডিত আলোময় চাকমা বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরবর্তী প্রক্রিয়া নেওয়া হবে।

অন্যদিকে কারাগারে থাকা সোহেল চাকমাকে সাজা পরোয়ানাসহ জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বাবাকে হত্যায় ছেলে ও ভাইপোর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

রাঙ্গামাটির সাজেকে শান্তি লাল চাকমাকে হত্যার দায়ে তাঁর ছেলে সোহেল চাকমা ও ভাইপো আলোময় চাকমাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  নুসরাত হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ১০ জন

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রাতে সাজেক থানার উত্তর ভাইবোনছড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে শান্তি লাল চাকমাকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান আসামিরা। পরে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ এবং ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ গঙ্গারাম নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার নয় দিন পর কাচালং নদী থেকে শান্তি লাল চাকমার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও আদালতে উপস্থাপিত নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

রায়ে বলা হয়েছে, দণ্ডিত আলোময় চাকমা বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরবর্তী প্রক্রিয়া নেওয়া হবে।

অন্যদিকে কারাগারে থাকা সোহেল চাকমাকে সাজা পরোয়ানাসহ জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।