ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের তালিকা করবে গোয়েন্দা সংস্থা: আইজিপি পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের

সেন্ট মার্টিনে মাছের সংকট, পর্যটকদের চাহিদা পূরণে সংকটে জেলেরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 299

সেন্ট মার্টিনে মাছের সংকট, পর্যটকদের চাহিদা পূরণে সংকটে জেলেরা

 

সেন্ট মার্টিনের প্রধান আকর্ষণ ছিল তাজা সামুদ্রিক মাছ। বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় মাছ ভেজে পর্যটকদের পরিবেশন করা দ্বীপের বিশেষত্ব হলেও এখন সেই মাছের দেখা পাওয়া ভার। স্থানীয় জেলেরা ছোট মাছ, যেমন ‘ফ্লাইংফিশ’ ও ‘টুইট্যা’, আহরণ করে পর্যটকদের চাহিদা মেটাচ্ছেন।

একসময় এই দ্বীপ ছিল মৎস্য খনি। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে টেকনাফ, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় শত মেট্রিক টন মাছ সরবরাহ করা হতো। কিন্তু এখন সাগরে মাছের সংকট প্রকট। দ্বীপের পূর্ব সৈকতে টানাজালে ধরা পড়ছে কেবল ছোট আকৃতির মাছ। অধিকাংশ ইঞ্জিন নৌকা ঘাটে নোঙর করে আছে, কারণ গভীর সাগরে মাছ আহরণের সক্ষমতা তাদের নেই।

আরও পড়ুন  কাপ্তাইয়ে সংরক্ষিত বনে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

জেলেদের মতে, গভীর বঙ্গোপসাগরে চলে গেছে বড় মাছের ঝাঁক। টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে আসা বড় ট্রলারগুলো গভীর সাগরে সাত-আট দিন অবস্থান করে মাছ ধরলেও, সেন্ট মার্টিনের নৌকাগুলো রাতে মাছ ধরে সকালে ফিরে আসে।

সরকারি নির্দেশনায় প্রতিদিন সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করছেন দুই হাজার পর্যটক। তাদের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন ২০-৩০ মণ মাছ। কিন্তু দ্বীপে সেই চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকেরা টেকনাফ বা শাহপরীর দ্বীপ থেকে কোরাল, রূপচাঁদা, কালোচান্দা কিনে সংকট সামাল দিচ্ছেন।

মৎস্য সংকট মোকাবিলায় গভীর সাগরে মাছ ধরার সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সাগর সংরক্ষণে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। পর্যটনের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহের এই দ্বৈত চাহিদা পূরণে সমন্বিত পদক্ষেপই হতে পারে টেকসই সমাধান।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেন্ট মার্টিনে মাছের সংকট, পর্যটকদের চাহিদা পূরণে সংকটে জেলেরা

আপডেট সময় ১০:৩১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫

 

সেন্ট মার্টিনের প্রধান আকর্ষণ ছিল তাজা সামুদ্রিক মাছ। বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় মাছ ভেজে পর্যটকদের পরিবেশন করা দ্বীপের বিশেষত্ব হলেও এখন সেই মাছের দেখা পাওয়া ভার। স্থানীয় জেলেরা ছোট মাছ, যেমন ‘ফ্লাইংফিশ’ ও ‘টুইট্যা’, আহরণ করে পর্যটকদের চাহিদা মেটাচ্ছেন।

একসময় এই দ্বীপ ছিল মৎস্য খনি। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে টেকনাফ, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় শত মেট্রিক টন মাছ সরবরাহ করা হতো। কিন্তু এখন সাগরে মাছের সংকট প্রকট। দ্বীপের পূর্ব সৈকতে টানাজালে ধরা পড়ছে কেবল ছোট আকৃতির মাছ। অধিকাংশ ইঞ্জিন নৌকা ঘাটে নোঙর করে আছে, কারণ গভীর সাগরে মাছ আহরণের সক্ষমতা তাদের নেই।

আরও পড়ুন  সেন্ট মার্টিন রক্ষায় পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনায় জোর দিচ্ছে সরকার: পরিবেশ উপদেষ্টা

জেলেদের মতে, গভীর বঙ্গোপসাগরে চলে গেছে বড় মাছের ঝাঁক। টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে আসা বড় ট্রলারগুলো গভীর সাগরে সাত-আট দিন অবস্থান করে মাছ ধরলেও, সেন্ট মার্টিনের নৌকাগুলো রাতে মাছ ধরে সকালে ফিরে আসে।

সরকারি নির্দেশনায় প্রতিদিন সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করছেন দুই হাজার পর্যটক। তাদের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন ২০-৩০ মণ মাছ। কিন্তু দ্বীপে সেই চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকেরা টেকনাফ বা শাহপরীর দ্বীপ থেকে কোরাল, রূপচাঁদা, কালোচান্দা কিনে সংকট সামাল দিচ্ছেন।

মৎস্য সংকট মোকাবিলায় গভীর সাগরে মাছ ধরার সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সাগর সংরক্ষণে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। পর্যটনের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহের এই দ্বৈত চাহিদা পূরণে সমন্বিত পদক্ষেপই হতে পারে টেকসই সমাধান।