ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
চড়া দামে এলএনজি নাকি সহনীয় লোডশেডিং, সিদ্ধান্ত নিতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের নিয়োগে আইনের ব্যত্যয় হয়নি: আইনমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয় বলায় যা বললেন তথ্যমন্ত্রী পার্থ কনসার্ট বাতিলের পেছনে নিরাপত্তা কারণ থাকতে পারে: তথ্যমন্ত্রী সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ একরামুল হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ সাতজনকে আত্মসমর্পণের বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ গণমাধ্যমে বেশি স্বাধীনতা দেখছি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী শাপলা চত্বর থেকে লালদীঘি পর্যন্ত জামায়াতের লং মার্চ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর

মগবাজারের হোটেলে স্ত্রী-সন্তানসহ প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / 771

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর মগবাজারের একটি হোটেলে স্ত্রী-সন্তানসহ এক সৌদি প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন লক্ষ্মীপুরের মনির হোসেন, তার স্ত্রী এবং শিশুপুত্র। পরিবার দাবি করেছে, হোটেলের খাবারে বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হতে পারে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মনির হোসেন সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে শনিবার (২৮ জুন) স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় আসেন চিকিৎসার জন্য। তবে নির্ধারিত দিনে ডাক্তারের সিরিয়াল না পাওয়ায় পরিবারটি মগবাজারের ‘সুইট স্লিপ’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠে।

আরও পড়ুন  এপ্রিলের ১৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১ হাজার কোটি টাকা

মনির হোসেনের এক চাচা জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি তাদের সঙ্গে ছিলেন এবং একসঙ্গে খাবার খান। রাতের দিকে হঠাৎ তিনজনই অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শনিবার ভোরে হোটেল থেকে ফোন করে চাচাকে জানানো হয়, মনির হোসেন, তার স্ত্রী ও সন্তান সবাই গুরুতর অসুস্থ।

তাৎক্ষণিকভাবে চাচা এসে তাদের আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ হোটেল কক্ষটি সিলগালা করে এবং খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে। এছাড়া যে রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার সরবরাহ করা হয়েছিল, সেখান থেকেও আলামত জব্দ করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের পাশাপাশি আলামত পরীক্ষা করা হবে। এটি খাবারে বিষক্রিয়া, আত্মহত্যা না কি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে—সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মনির হোসেনের পরিবারের দাবি, হোটেলের খাবারের কারণেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ এখনই কোনো চূড়ান্ত বক্তব্য দিচ্ছে না। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে তারা।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রবাসী মনির হোসেনের অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দ্রুত সময়ে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মগবাজারের হোটেলে স্ত্রী-সন্তানসহ প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

 

রাজধানীর মগবাজারের একটি হোটেলে স্ত্রী-সন্তানসহ এক সৌদি প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন লক্ষ্মীপুরের মনির হোসেন, তার স্ত্রী এবং শিশুপুত্র। পরিবার দাবি করেছে, হোটেলের খাবারে বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হতে পারে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মনির হোসেন সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে শনিবার (২৮ জুন) স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় আসেন চিকিৎসার জন্য। তবে নির্ধারিত দিনে ডাক্তারের সিরিয়াল না পাওয়ায় পরিবারটি মগবাজারের ‘সুইট স্লিপ’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠে।

আরও পড়ুন  সৌদি আরবে কঠোর অভিযানে ২০ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার

মনির হোসেনের এক চাচা জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি তাদের সঙ্গে ছিলেন এবং একসঙ্গে খাবার খান। রাতের দিকে হঠাৎ তিনজনই অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শনিবার ভোরে হোটেল থেকে ফোন করে চাচাকে জানানো হয়, মনির হোসেন, তার স্ত্রী ও সন্তান সবাই গুরুতর অসুস্থ।

তাৎক্ষণিকভাবে চাচা এসে তাদের আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ হোটেল কক্ষটি সিলগালা করে এবং খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে। এছাড়া যে রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার সরবরাহ করা হয়েছিল, সেখান থেকেও আলামত জব্দ করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের পাশাপাশি আলামত পরীক্ষা করা হবে। এটি খাবারে বিষক্রিয়া, আত্মহত্যা না কি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে—সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মনির হোসেনের পরিবারের দাবি, হোটেলের খাবারের কারণেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ এখনই কোনো চূড়ান্ত বক্তব্য দিচ্ছে না। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে তারা।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রবাসী মনির হোসেনের অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দ্রুত সময়ে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।