ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব সমুদ্র দিবস আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • / 712

ছবি: সংগৃহীত

 

আজ ৮ জুন আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরোতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এবং ২০০৮ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়। ২০০৯ সাল থেকে সারাবিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সমুদ্র তীরবর্তী দেশ হওয়ায় দেশের বিশাল সমুদ্রসীমা ও নীল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশের সমুদ্রবিজ্ঞানী ও গবেষকরা পৃথক সমুদ্র মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  এই সপ্তাহে মাঠে নামছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা, জানুন কখন কোথায় খেলবে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

গবেষকরা সমুদ্র-দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বঙ্গোপসাগরকে বাঁচাতে হলে দ্রুত একটি মেরিন কনজারভেশন অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা জরুরি। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে আলাদা মন্ত্রণালয় না থাকায় বিশাল সাগর সম্পদের জন্য নির্দিষ্ট অভিভাবক নেই, ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এলোমেলোভাবে কাজ করছে।

এ কারণে ট্যুরিস্ট পুলিশ, নেভি, সাগর গবেষণা ইনস্টিটিউট, পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও কোস্টগার্ডের সমন্বিত উদ্যোগের অভাব দেখা যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ব সমুদ্র দিবস আজ

আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

 

আজ ৮ জুন আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরোতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এবং ২০০৮ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়। ২০০৯ সাল থেকে সারাবিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সমুদ্র তীরবর্তী দেশ হওয়ায় দেশের বিশাল সমুদ্রসীমা ও নীল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশের সমুদ্রবিজ্ঞানী ও গবেষকরা পৃথক সমুদ্র মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  আনচেলত্তি আসতেই পদ হারালেন ব্রাজিলের ফুটবল প্রধান

গবেষকরা সমুদ্র-দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বঙ্গোপসাগরকে বাঁচাতে হলে দ্রুত একটি মেরিন কনজারভেশন অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা জরুরি। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে আলাদা মন্ত্রণালয় না থাকায় বিশাল সাগর সম্পদের জন্য নির্দিষ্ট অভিভাবক নেই, ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এলোমেলোভাবে কাজ করছে।

এ কারণে ট্যুরিস্ট পুলিশ, নেভি, সাগর গবেষণা ইনস্টিটিউট, পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও কোস্টগার্ডের সমন্বিত উদ্যোগের অভাব দেখা যাচ্ছে।