ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংসদ ওয়াকআউট করে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করবেন না: স্পিকার সুনামগঞ্জের পৃথক হাওরে বজ্রপাত, ধান কাটার সময় ৫ কৃষকের মৃত্যু আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে চেন্নাই পুলিশের মামলা বিসিএস ক্যাডার, প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী; এক নজরে সালাহউদ্দিন আহমদ ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে: দাবি ট্রাম্পের সংসার সুখের করতে স্বামীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন আজ

টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তর-পূর্ব ভারত, প্রাণ হারালেন অন্তত ৩০ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 230

ছবি সংগৃহীত

 

 

প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলো। আসাম, মেঘালয়, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ ও মিজোরাম এই রাজ্যগুলিতে মাত্র দুই দিনেই বৃষ্টির কারণে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩০ জন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

আরও পড়ুন  কৌশলগত স্বার্থে নতুন করে কাছাকাছি ভারত-চীন

শনিবার অরুণাচল প্রদেশের পূর্ব কামেঙ জেলায় একটি চলন্ত গাড়ি আচমকা ধসে পড়া রাস্তায় পড়ে ভেসে যায়। ওই গাড়িতে থাকা দুই পরিবারের সাত সদস্যের সবাই নিহত হন। একইদিনে অরুণাচলের জিলো জেলার ক্যাবেজ গার্ডেন এবং পাইন গ্রোভ এলাকায় ধসের ঘটনায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়। ফলে শনিবার অরুণাচলেই প্রাণ হারান ৯ জন।

এদিকে, আসামে বৃষ্টির প্রভাবে দেখা দিয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। রাজ্যের ১২টি জেলায় অন্তত ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বহু জায়গায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পর্যটকরাও বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসামের বিস্তীর্ণ এলাকায় জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা, আর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যগুলোতে রয়েছে হলুদ সতর্কতা।

শনিবার একদিনেই উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন অংশে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বৃষ্টি ও ধসের ফলে ভেঙে পড়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। উত্তর সিকিমে বৃষ্টির তীব্রতায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শনিবার রাতে রাজ্যটিতে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পর্যটকদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

গুয়াহাটিতে শনিবার ১১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা গত ৬৭ বছরের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। টানা বৃষ্টির কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানির স্তরও বেড়ে চলেছে, যা আরও বিপদের আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত এই অঞ্চলগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তর-পূর্ব ভারত, প্রাণ হারালেন অন্তত ৩০ জন

আপডেট সময় ১২:০২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

 

প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলো। আসাম, মেঘালয়, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ ও মিজোরাম এই রাজ্যগুলিতে মাত্র দুই দিনেই বৃষ্টির কারণে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩০ জন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

আরও পড়ুন  ভারতে রথযাত্রায় মর্মান্তিক পদদলনের ঘটনায় নিহত ৩, আহত ১০

শনিবার অরুণাচল প্রদেশের পূর্ব কামেঙ জেলায় একটি চলন্ত গাড়ি আচমকা ধসে পড়া রাস্তায় পড়ে ভেসে যায়। ওই গাড়িতে থাকা দুই পরিবারের সাত সদস্যের সবাই নিহত হন। একইদিনে অরুণাচলের জিলো জেলার ক্যাবেজ গার্ডেন এবং পাইন গ্রোভ এলাকায় ধসের ঘটনায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়। ফলে শনিবার অরুণাচলেই প্রাণ হারান ৯ জন।

এদিকে, আসামে বৃষ্টির প্রভাবে দেখা দিয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। রাজ্যের ১২টি জেলায় অন্তত ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বহু জায়গায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পর্যটকরাও বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসামের বিস্তীর্ণ এলাকায় জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা, আর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যগুলোতে রয়েছে হলুদ সতর্কতা।

শনিবার একদিনেই উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন অংশে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বৃষ্টি ও ধসের ফলে ভেঙে পড়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। উত্তর সিকিমে বৃষ্টির তীব্রতায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শনিবার রাতে রাজ্যটিতে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পর্যটকদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

গুয়াহাটিতে শনিবার ১১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা গত ৬৭ বছরের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। টানা বৃষ্টির কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানির স্তরও বেড়ে চলেছে, যা আরও বিপদের আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত এই অঞ্চলগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।