ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ

পাকিস্তানে ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডবে এক সপ্তাহে নিহত ৩২, আহত দেড় শতাধিক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 655

ছবি: সংগৃহীত

 

পাকিস্তানে টানা মৌসুমি ঝড় ও বৃষ্টির ফলে গত এক সপ্তাহে অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১৫০ জনের বেশি মানুষ। শুক্রবার দেশটির কেন্দ্রীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নিহতদের মধ্যে শুধু শুক্রবারেই প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন, যাদের সবাই উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বাসিন্দা। গত কয়েকদিন ধরে এই অঞ্চলে ব্যাপক ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা উপড়ে পড়া, ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা চাইতে হবে, পাকিস্তানপন্থা ত্যাগ করতে হবে: মাহফুজ আলম

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে ঘরের ছাদ বা দেয়াল ধসে পড়ার কারণে। অপর ২ জন নিহত হয়েছেন ঝড়ে উপড়ে যাওয়া সোলার প্যানেলের নিচে চাপা পড়ে।

চলতি মে মাসের শুরু থেকে ২০ মে পর্যন্ত পাকিস্তানে প্রবল তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানায়, এই সময়ের মধ্যে স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় গড় তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। রাজধানী ইসলামাবাদসহ পাঞ্জাব ও সিন্ধু প্রদেশে কয়েকদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়।

তীব্র দাবদাহ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় প্রবল ঝড় ও বৃষ্টিপাত, যা বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ডেকে এনেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তনের কারণে এই ধরনের দুর্যোগপ্রবণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঝড়ের সময় গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও অন্যান্য অবকাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনা আরও হতাহতের সংখ্যা বাড়িয়ে তোলে।

স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। বেশ কিছু এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। জরুরি সহায়তার জন্য সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, আগামী কয়েকদিনেও বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। জনগণকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে না বের হওয়ার এবং দুর্যোগ সতর্কতা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: জিও নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানে ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডবে এক সপ্তাহে নিহত ৩২, আহত দেড় শতাধিক

আপডেট সময় ১১:১৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

পাকিস্তানে টানা মৌসুমি ঝড় ও বৃষ্টির ফলে গত এক সপ্তাহে অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১৫০ জনের বেশি মানুষ। শুক্রবার দেশটির কেন্দ্রীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নিহতদের মধ্যে শুধু শুক্রবারেই প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন, যাদের সবাই উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বাসিন্দা। গত কয়েকদিন ধরে এই অঞ্চলে ব্যাপক ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা উপড়ে পড়া, ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা চাইতে হবে, পাকিস্তানপন্থা ত্যাগ করতে হবে: মাহফুজ আলম

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে ঘরের ছাদ বা দেয়াল ধসে পড়ার কারণে। অপর ২ জন নিহত হয়েছেন ঝড়ে উপড়ে যাওয়া সোলার প্যানেলের নিচে চাপা পড়ে।

চলতি মে মাসের শুরু থেকে ২০ মে পর্যন্ত পাকিস্তানে প্রবল তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানায়, এই সময়ের মধ্যে স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় গড় তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। রাজধানী ইসলামাবাদসহ পাঞ্জাব ও সিন্ধু প্রদেশে কয়েকদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়।

তীব্র দাবদাহ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় প্রবল ঝড় ও বৃষ্টিপাত, যা বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ডেকে এনেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তনের কারণে এই ধরনের দুর্যোগপ্রবণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঝড়ের সময় গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও অন্যান্য অবকাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনা আরও হতাহতের সংখ্যা বাড়িয়ে তোলে।

স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। বেশ কিছু এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। জরুরি সহায়তার জন্য সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, আগামী কয়েকদিনেও বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। জনগণকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে না বের হওয়ার এবং দুর্যোগ সতর্কতা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: জিও নিউজ