ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

উত্তপ্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: রেজিস্ট্রারের দপ্তরে তালা, ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে জিডি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 310

ছবি সংগৃহীত

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারের দপ্তরে তালা দেওয়াসহ অশ্লীল স্লোগান দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সহকারী রেজিস্ট্রার কে এম সানোয়ার পারভেজ লিটন বন্দর থানায় এই জিডি করেন।

জানা গেছে, রেজিস্ট্রারের অপসারণসহ চার দাবিতে শিক্ষার্থীরা গত ২২ এপ্রিল থেকে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দাবিতে রবিবার (২৭ এপ্রিল) রেজিস্ট্রারের কুশপুতুল দাহ করেন এবং তার দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন  গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মমুখী প্রশিক্ষণ চালুর ঘোষণা তারেক রহমানের

জিডিতে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন- ইংরেজি বিভাগের রাকিন, এনামুল হক, তরিকুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান, সাংবাদিকতা বিভাগের নাজমুল ঢালী, লোকপ্রশাসনের মোকাব্বেল শেখ, আইন বিভাগের তরিক হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সিহাব, কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের স্বপ্নীল অপূর্ব রকি এবং রসায়ন বিভাগের রফিকুল ইসলাম। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন শিক্ষার্থীকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবাদস্বরূপ শিক্ষার্থীরা সোমবার রাতে চার দফা দাবিতে মশাল মিছিলের আয়োজন করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম ভোলার মনপুরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি এবং তিনি ২০১১ সালের জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতাকারীদের একজন। তার অপসারণসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলন চলছে। দাবিগুলো হলো- ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মুহসিন উদ্দিনের বিরুদ্ধে অপবাদ প্রত্যাহার ও পুনর্বহাল, রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের অপসারণ, ফ্যাসিবাদী শিক্ষকদের লাভজনক কমিটি থেকে অপসারণ এবং এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের পুনর্বাসনের দায়ে উপাচার্যের প্রকাশ্য ক্ষমা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, উপাচার্য অধ্যাপক শুচিতা শরমিনকে দুই দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হলেও তিনি তা উপেক্ষা করেছেন। রেজিস্ট্রার অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তালা খোলা হবে না বলেও তারা জানান।

সাবেক ছাত্রদল নেতা মোশারফ হোসেন ও রাকিন খান বলেন, ‘প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবি মানছে না বলেই তালা দিতে বাধ্য হয়েছি। ১২ ঘণ্টার মধ্যে রেজিস্ট্রারকে অপসারণ করতে হবে, নইলে আন্দোলন চলবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মামুন অর রশিদ বলেন, ‘এই সমস্যার সমাধান উপাচার্যের হাতেই।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘উপাচার্য আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত বিষয়টির সমাধান করতে পারেন।’

এ বিষয়ে উপাচার্য শুচিতা শরমিন বলেন, ‘তালা দেওয়ার বিষয়টি জেনেছি। গুটি কয়েক শিক্ষার্থী এ কাজ করেছে, তাদের সবার পরিচয় জানা, ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

উত্তপ্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: রেজিস্ট্রারের দপ্তরে তালা, ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে জিডি

আপডেট সময় ০৪:২৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারের দপ্তরে তালা দেওয়াসহ অশ্লীল স্লোগান দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সহকারী রেজিস্ট্রার কে এম সানোয়ার পারভেজ লিটন বন্দর থানায় এই জিডি করেন।

জানা গেছে, রেজিস্ট্রারের অপসারণসহ চার দাবিতে শিক্ষার্থীরা গত ২২ এপ্রিল থেকে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দাবিতে রবিবার (২৭ এপ্রিল) রেজিস্ট্রারের কুশপুতুল দাহ করেন এবং তার দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থী ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনির্দিষ্টকাল স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

জিডিতে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন- ইংরেজি বিভাগের রাকিন, এনামুল হক, তরিকুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান, সাংবাদিকতা বিভাগের নাজমুল ঢালী, লোকপ্রশাসনের মোকাব্বেল শেখ, আইন বিভাগের তরিক হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সিহাব, কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের স্বপ্নীল অপূর্ব রকি এবং রসায়ন বিভাগের রফিকুল ইসলাম। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন শিক্ষার্থীকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবাদস্বরূপ শিক্ষার্থীরা সোমবার রাতে চার দফা দাবিতে মশাল মিছিলের আয়োজন করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম ভোলার মনপুরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি এবং তিনি ২০১১ সালের জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতাকারীদের একজন। তার অপসারণসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলন চলছে। দাবিগুলো হলো- ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মুহসিন উদ্দিনের বিরুদ্ধে অপবাদ প্রত্যাহার ও পুনর্বহাল, রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের অপসারণ, ফ্যাসিবাদী শিক্ষকদের লাভজনক কমিটি থেকে অপসারণ এবং এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের পুনর্বাসনের দায়ে উপাচার্যের প্রকাশ্য ক্ষমা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, উপাচার্য অধ্যাপক শুচিতা শরমিনকে দুই দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হলেও তিনি তা উপেক্ষা করেছেন। রেজিস্ট্রার অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তালা খোলা হবে না বলেও তারা জানান।

সাবেক ছাত্রদল নেতা মোশারফ হোসেন ও রাকিন খান বলেন, ‘প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবি মানছে না বলেই তালা দিতে বাধ্য হয়েছি। ১২ ঘণ্টার মধ্যে রেজিস্ট্রারকে অপসারণ করতে হবে, নইলে আন্দোলন চলবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মামুন অর রশিদ বলেন, ‘এই সমস্যার সমাধান উপাচার্যের হাতেই।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘উপাচার্য আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত বিষয়টির সমাধান করতে পারেন।’

এ বিষয়ে উপাচার্য শুচিতা শরমিন বলেন, ‘তালা দেওয়ার বিষয়টি জেনেছি। গুটি কয়েক শিক্ষার্থী এ কাজ করেছে, তাদের সবার পরিচয় জানা, ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’