ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

শরীয়তপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 266

ছবি সংগৃহীত

 

 

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযানে প্রায় ২৩ কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না চাই জাল জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

আরও পড়ুন  টেকনাফে ৩ লাখ টাকার মাছসহ অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, জরিমানা ৬.৬৩ লাখ টাকা

কোস্ট গার্ড স্টেশন চাঁদপুর কর্তৃক পরিচালিত এ অভিযানটি গত ১৯ এপ্রিল (শনিবার) দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে। রোববার (২০ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বাংলাবাজার এলাকার দুটি দোকানের গোডাউন ঘিরে ফেলে কোস্ট গার্ড সদস্যরা। সেখান থেকে আনুমানিক ৬৫ লাখ মিটার কারেন্ট জাল এবং ৪২০টি চায়না চাই জাল উদ্ধার করা হয়, যেগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৩ কোটি টাকা।

জব্দকৃত এসব অবৈধ জাল পরে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না চাই জাল দেশের নদ-নদী এবং জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। নিষিদ্ধ এই জাল ব্যবহার করে মাছ ধরায় দেশের জলজ সম্পদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। তাই পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “দেশের আইন-শৃঙ্খলা ও পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে কোস্ট গার্ড ২৪ ঘণ্টা নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কোস্ট গার্ডের এমন পদক্ষেপ ইতিবাচক ফল দিচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও অবৈধ মাছ ধরার উপকরণ রোধে এবং জলজ সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে দেশের বিভিন্ন নদী ও উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ জাল ধ্বংসের পরিমাণ বেড়েছে, যা সচেতন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শরীয়তপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ

আপডেট সময় ০৫:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

 

 

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযানে প্রায় ২৩ কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না চাই জাল জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

আরও পড়ুন  এনায়েত উল্লাহ ও পরিবারের ১৯০টি যানবাহন জব্দের নির্দেশ

কোস্ট গার্ড স্টেশন চাঁদপুর কর্তৃক পরিচালিত এ অভিযানটি গত ১৯ এপ্রিল (শনিবার) দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে। রোববার (২০ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বাংলাবাজার এলাকার দুটি দোকানের গোডাউন ঘিরে ফেলে কোস্ট গার্ড সদস্যরা। সেখান থেকে আনুমানিক ৬৫ লাখ মিটার কারেন্ট জাল এবং ৪২০টি চায়না চাই জাল উদ্ধার করা হয়, যেগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৩ কোটি টাকা।

জব্দকৃত এসব অবৈধ জাল পরে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না চাই জাল দেশের নদ-নদী এবং জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। নিষিদ্ধ এই জাল ব্যবহার করে মাছ ধরায় দেশের জলজ সম্পদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। তাই পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “দেশের আইন-শৃঙ্খলা ও পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে কোস্ট গার্ড ২৪ ঘণ্টা নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কোস্ট গার্ডের এমন পদক্ষেপ ইতিবাচক ফল দিচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও অবৈধ মাছ ধরার উপকরণ রোধে এবং জলজ সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে দেশের বিভিন্ন নদী ও উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ জাল ধ্বংসের পরিমাণ বেড়েছে, যা সচেতন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।