ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

১৬১ সদস্যের শ্রমিক উইং আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করল জাতীয় নাগরিক পার্টি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 259

ছবি সংগৃহীত

 

 

নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শ্রমিক অধিকার আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করতে গঠন করেছে ১৬১ সদস্যবিশিষ্ট শ্রমিক উইংয়ের কেন্দ্রীয় কো-অর্ডিনেটর কমিটি। রোববার (২৩ মার্চ) এনসিপির প্যাডে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন  শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত করার অধিকার নেই মালিকদের: শ্রম উপদেষ্টা

কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শ্রমিক আন্দোলনের সুপরিচিত মুখ মাজহারুল ইসলাম ফকির। যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে আছেন অভিজ্ঞ মোটর শ্রমিক নেতা মোশাররফ হোসেন স্বপন।

বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপি জানিয়েছে, “ঔপনিবেশিক যুগ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত শ্রমিক শ্রেণি মানবিক অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক সুরক্ষার নিশ্চয়তা এখনও অধরাই থেকে গেছে।”

দলটি আরও বলেছে, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম ভিত্তি ছিল শ্রমজীবী মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা। সেই সময় অনেক শ্রমিক প্রাণ দিয়েছেন, যারা আমাদের পথচলার অনুপ্রেরণা। তাদের আত্মত্যাগ আমরা ভুলিনি।”

শ্রমজীবী জনগণের স্বার্থে সুসংগঠিত আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে এনসিপি একটি নতুন শ্রমিক সংগঠনের কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির ভাষ্য, “আমাদের মূল লক্ষ্য হবে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, বাস্তবমুখী নীতিমালা প্রণয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে শ্রমিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।”

কমিটি ঘোষণার মাধ্যমে সারা দেশের শ্রমিকদের এক ছাতার নিচে সংগঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে এনসিপি। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কমিটির সদস্যরা শ্রমিকদের স্বার্থে মাঠে থাকবেন এবং তাদের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরবেন।

নতুন এ উদ্যোগ শ্রমিক রাজনীতিতে এনসিপির সক্রিয় অংশগ্রহণের বার্তা দিচ্ছে এবং দেশে একটি কার্যকর শ্রমিক আন্দোলনের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৬১ সদস্যের শ্রমিক উইং আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করল জাতীয় নাগরিক পার্টি

আপডেট সময় ০৩:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

 

নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শ্রমিক অধিকার আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করতে গঠন করেছে ১৬১ সদস্যবিশিষ্ট শ্রমিক উইংয়ের কেন্দ্রীয় কো-অর্ডিনেটর কমিটি। রোববার (২৩ মার্চ) এনসিপির প্যাডে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন  সুষ্ঠু নির্বাচনই হবে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় সংস্কার: নাগরিক ঐক্যের সভাপতি

কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শ্রমিক আন্দোলনের সুপরিচিত মুখ মাজহারুল ইসলাম ফকির। যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে আছেন অভিজ্ঞ মোটর শ্রমিক নেতা মোশাররফ হোসেন স্বপন।

বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপি জানিয়েছে, “ঔপনিবেশিক যুগ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত শ্রমিক শ্রেণি মানবিক অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক সুরক্ষার নিশ্চয়তা এখনও অধরাই থেকে গেছে।”

দলটি আরও বলেছে, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম ভিত্তি ছিল শ্রমজীবী মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা। সেই সময় অনেক শ্রমিক প্রাণ দিয়েছেন, যারা আমাদের পথচলার অনুপ্রেরণা। তাদের আত্মত্যাগ আমরা ভুলিনি।”

শ্রমজীবী জনগণের স্বার্থে সুসংগঠিত আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে এনসিপি একটি নতুন শ্রমিক সংগঠনের কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির ভাষ্য, “আমাদের মূল লক্ষ্য হবে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, বাস্তবমুখী নীতিমালা প্রণয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে শ্রমিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।”

কমিটি ঘোষণার মাধ্যমে সারা দেশের শ্রমিকদের এক ছাতার নিচে সংগঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে এনসিপি। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কমিটির সদস্যরা শ্রমিকদের স্বার্থে মাঠে থাকবেন এবং তাদের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরবেন।

নতুন এ উদ্যোগ শ্রমিক রাজনীতিতে এনসিপির সক্রিয় অংশগ্রহণের বার্তা দিচ্ছে এবং দেশে একটি কার্যকর শ্রমিক আন্দোলনের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।