ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী

জাতীয় ঐকমত্যে বিএনপির লিখিত মত, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা চায় বহাল রাখতে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 471

ছবি সংগৃহীত

 

 

জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত কমিশনে লিখিত মতামত জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র ও সংসদীয় আসন পুনঃনির্ধারণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের কাছেই থাকা উচিত। পাশাপাশি সংবিধানে ২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের নতুন অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে পূর্ববর্তী প্রস্তাবনাকেই পুনর্বহাল দেখতে চায় দলটি।

আরও পড়ুন  ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা: সিইসি

রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে সংসদ ভবনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এই মতামত আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেয়।

এর আগে, গত ২০ মার্চ থেকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু হয়। প্রথম দিনে অংশ নেয় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। সংলাপে রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে কমিশনের দেওয়া ১৬৬টি সুপারিশের মধ্যে ১২০টিতেই একমত পোষণ করে এলডিপি। এরপর শনিবার (২১ মার্চ) অংশ নেয় খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রতিনিধিরা।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানা গেছে, সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন এবং বিচার বিভাগ সংস্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গঠিত ১৬৬টি সুপারিশ নিয়ে মতামত জানাতে ৬ মার্চ ৩৭টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক ও মতবিনিময় করছে কমিশন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় ঐকমত্য গঠনের এই প্রক্রিয়া যদি সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে, তবে তা ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য ইতিবাচক দিকনির্দেশনা তৈরি করবে। বিএনপির মতামত প্রদান এই আলোচনাকে আরও ফলপ্রসূ ও গ্রহণযোগ্য করে তুলবে বলেও মনে করছেন তারা। এখন দেখার বিষয়, অন্যান্য বড় দলগুলো এই প্রক্রিয়ায় কতটা সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় ঐকমত্যে বিএনপির লিখিত মত, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা চায় বহাল রাখতে

আপডেট সময় ০৪:৩০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

 

জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত কমিশনে লিখিত মতামত জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র ও সংসদীয় আসন পুনঃনির্ধারণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের কাছেই থাকা উচিত। পাশাপাশি সংবিধানে ২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের নতুন অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে পূর্ববর্তী প্রস্তাবনাকেই পুনর্বহাল দেখতে চায় দলটি।

আরও পড়ুন  কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য

রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে সংসদ ভবনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এই মতামত আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেয়।

এর আগে, গত ২০ মার্চ থেকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু হয়। প্রথম দিনে অংশ নেয় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। সংলাপে রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে কমিশনের দেওয়া ১৬৬টি সুপারিশের মধ্যে ১২০টিতেই একমত পোষণ করে এলডিপি। এরপর শনিবার (২১ মার্চ) অংশ নেয় খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রতিনিধিরা।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানা গেছে, সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন এবং বিচার বিভাগ সংস্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গঠিত ১৬৬টি সুপারিশ নিয়ে মতামত জানাতে ৬ মার্চ ৩৭টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক ও মতবিনিময় করছে কমিশন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় ঐকমত্য গঠনের এই প্রক্রিয়া যদি সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে, তবে তা ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য ইতিবাচক দিকনির্দেশনা তৈরি করবে। বিএনপির মতামত প্রদান এই আলোচনাকে আরও ফলপ্রসূ ও গ্রহণযোগ্য করে তুলবে বলেও মনে করছেন তারা। এখন দেখার বিষয়, অন্যান্য বড় দলগুলো এই প্রক্রিয়ায় কতটা সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।