ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ইমরান খানের মুক্তির শর্ত ‘ক্ষমা চাওয়া’, কিন্তু তিনি আপসহীন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 381

ছবি সংগৃহীত

 

২০২৩ সালের ৯ মে পাকিস্তানে ঘটে যাওয়া সহিংসতার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেই কারামুক্তি সম্ভব এমন শর্ত দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের রাজনৈতিক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ। তার ভাষায়, ইমরান খান যদি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান, তাহলে আদালতের জামিন মঞ্জুরে সরকারের কোনো আপত্তি থাকবে না।

রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্দি রয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সেদিন সারাদেশে শুরু হয় ব্যাপক বিক্ষোভ। সরকারি ভবন, সামরিক স্থাপনা ও রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা হয়। সরকার এই আন্দোলনকে ‘দাঙ্গা’ হিসেবে ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের ‘শেষ সতর্কবার্তা’: হামাসকে জিম্মিরা মুক্তি না দিলে ভোগ করতে হবে ‘নরকের পরিণতি’

তবে ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, তিনি কোনো ধরনের ক্ষমা চাইবেন না। বরং তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। ইতোমধ্যে তিনজন বিচারককে বদলির বিরুদ্ধে তিনি সুপ্রিম কোর্টে রিট করেছেন, যেখানে বিচারকদের প্রতি রাজনৈতিক প্রতিশোধের অভিযোগ এনেছেন তিনি।

পিটিআইয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, সরকার তাকে রাজনীতি থেকে দূরে সরাতেই একের পর এক মামলা ও বাধা সৃষ্টি করছে। লাহোরের মিনার-ই-পাকিস্তানে দলীয় সমাবেশ করতে চাইলেও প্রশাসন ‘নিরাপত্তাজনিত কারণ’ দেখিয়ে অনুমতি দেয়নি। পিটিআইয়ের নেতাকর্মীরা একে গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেছেন।

সরকারি মহলের বক্তব্য, ৯ মে’র ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইমরান খান আপাতত ‘ক্ষমা’ নয়, বরং সম্মান ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানে রয়েছেন। আর সরকারের দিক থেকেও ‘ক্ষমা চাওয়া’র শর্ত দিয়ে পরিস্থিতিকে নিজের অনুকূলে আনার প্রচেষ্টা স্পষ্ট। এই অবস্থায় পাকিস্তানের রাজনীতিতে উত্তাপ আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইমরান খানের মুক্তির শর্ত ‘ক্ষমা চাওয়া’, কিন্তু তিনি আপসহীন

আপডেট সময় ০১:২৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

২০২৩ সালের ৯ মে পাকিস্তানে ঘটে যাওয়া সহিংসতার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেই কারামুক্তি সম্ভব এমন শর্ত দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের রাজনৈতিক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ। তার ভাষায়, ইমরান খান যদি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান, তাহলে আদালতের জামিন মঞ্জুরে সরকারের কোনো আপত্তি থাকবে না।

রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্দি রয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সেদিন সারাদেশে শুরু হয় ব্যাপক বিক্ষোভ। সরকারি ভবন, সামরিক স্থাপনা ও রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা হয়। সরকার এই আন্দোলনকে ‘দাঙ্গা’ হিসেবে ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের ‘শেষ সতর্কবার্তা’: হামাসকে জিম্মিরা মুক্তি না দিলে ভোগ করতে হবে ‘নরকের পরিণতি’

তবে ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, তিনি কোনো ধরনের ক্ষমা চাইবেন না। বরং তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। ইতোমধ্যে তিনজন বিচারককে বদলির বিরুদ্ধে তিনি সুপ্রিম কোর্টে রিট করেছেন, যেখানে বিচারকদের প্রতি রাজনৈতিক প্রতিশোধের অভিযোগ এনেছেন তিনি।

পিটিআইয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, সরকার তাকে রাজনীতি থেকে দূরে সরাতেই একের পর এক মামলা ও বাধা সৃষ্টি করছে। লাহোরের মিনার-ই-পাকিস্তানে দলীয় সমাবেশ করতে চাইলেও প্রশাসন ‘নিরাপত্তাজনিত কারণ’ দেখিয়ে অনুমতি দেয়নি। পিটিআইয়ের নেতাকর্মীরা একে গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেছেন।

সরকারি মহলের বক্তব্য, ৯ মে’র ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইমরান খান আপাতত ‘ক্ষমা’ নয়, বরং সম্মান ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানে রয়েছেন। আর সরকারের দিক থেকেও ‘ক্ষমা চাওয়া’র শর্ত দিয়ে পরিস্থিতিকে নিজের অনুকূলে আনার প্রচেষ্টা স্পষ্ট। এই অবস্থায় পাকিস্তানের রাজনীতিতে উত্তাপ আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।