ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

যশোরে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / 389

ছবি: সংগৃহীত

 

যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বেকসুর খালাস দিয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এই রায় প্রদান করেন।

পাবলিক প্রসিকিউটর এবং জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানান, ২০১৫ সালের ২২ জানুয়ারি যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, তারেক রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে অবমাননাকর, ঘৃণা ও বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন, যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল বলে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন  ‘টাকা-পয়সা নিয়ে বিএনপির সদস্য পদ দিলে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হবে’

এর পরই যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ আদালতের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে এবং ২০১৫ সালের ২১ এপ্রিল তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা এই মামলায় ৯ বছর পর, আদালত আজ অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।

বিচারকের এই রায়ে দলীয় নেতারা খুশি হলেও, মামলার দীর্ঘস্থায়ীত্ব এবং প্রমাণের অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও মামলাটি দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে, তবে সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেন।

এই রায়ের পর বিএনপি নেতারা বিচার ব্যবস্থার প্রতি তাদের আস্থা প্রকাশ করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই মামলাটি চালানো হয়েছিল। তারা দাবি করেছেন, এর মাধ্যমে তারেক রহমানকে চাপে রাখা এবং রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে।

এদিকে, আওয়ামী লীগে পক্ষ থেকে মামলার সঠিক তদন্তের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে, তবে তারা এ বিষয়ে আরও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে, যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যশোরে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত

আপডেট সময় ০২:২৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

 

যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বেকসুর খালাস দিয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এই রায় প্রদান করেন।

পাবলিক প্রসিকিউটর এবং জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানান, ২০১৫ সালের ২২ জানুয়ারি যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, তারেক রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে অবমাননাকর, ঘৃণা ও বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন, যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল বলে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন  নতুন সরকারের শপথে ভারত, চীনসহ আমন্ত্রণ পেলেন যে সব দেশের সরকার প্রধানরা

এর পরই যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ আদালতের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে এবং ২০১৫ সালের ২১ এপ্রিল তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা এই মামলায় ৯ বছর পর, আদালত আজ অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।

বিচারকের এই রায়ে দলীয় নেতারা খুশি হলেও, মামলার দীর্ঘস্থায়ীত্ব এবং প্রমাণের অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও মামলাটি দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে, তবে সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেন।

এই রায়ের পর বিএনপি নেতারা বিচার ব্যবস্থার প্রতি তাদের আস্থা প্রকাশ করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই মামলাটি চালানো হয়েছিল। তারা দাবি করেছেন, এর মাধ্যমে তারেক রহমানকে চাপে রাখা এবং রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে।

এদিকে, আওয়ামী লীগে পক্ষ থেকে মামলার সঠিক তদন্তের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে, তবে তারা এ বিষয়ে আরও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে, যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে।