ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
আফগানিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে বিপাকে জিম্বাবুয়ে সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের তালিকা করবে গোয়েন্দা সংস্থা: আইজিপি পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

অর্থ পাচারের অভিযোগে আপিল বিভাগ থেকে খালাস পেলেন তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 510

ছবি: সংগৃহীত

 

সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের অভিযোগে অর্থপাচার আইনে করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের সাজা থেকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

গত ৪ মার্চ, আপিল শুনানির পর রায়ের জন্য এদিন নির্ধারণ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। এর আগে, ১০ ডিসেম্বর মামুনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের অনুমতি দিয়ে দণ্ড স্থগিত করা হয়। এরপর, মামুন আপিল করার পর এ রায় আসে।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দুদক রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করে। ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয় এবং পরবর্তীতে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন।

মামলায় বলা হয়, টঙ্গীতে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নিয়েছিলেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। এই টাকা সিঙ্গাপুরে লেনদেন হয় এবং মামুন সিটি ব্যাংক এনএ-তে নিজের ব্যাংক হিসাবে জমা দেন। পরে, এ টাকার মধ্যে তারেক রহমান ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন।

মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার মধ্যে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের এজেন্ট ডেবরা লেপরোভেটও ছিলেন। তবে আপিল বিভাগের রায়ে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে দুই আসামির বিরুদ্ধে সকল দণ্ড বাতিল করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থ পাচারের অভিযোগে আপিল বিভাগ থেকে খালাস পেলেন তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুন

আপডেট সময় ০১:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের অভিযোগে অর্থপাচার আইনে করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের সাজা থেকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

গত ৪ মার্চ, আপিল শুনানির পর রায়ের জন্য এদিন নির্ধারণ করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। এর আগে, ১০ ডিসেম্বর মামুনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের অনুমতি দিয়ে দণ্ড স্থগিত করা হয়। এরপর, মামুন আপিল করার পর এ রায় আসে।

আরও পড়ুন  ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর কর্মব্যস্ততা

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দুদক রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করে। ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয় এবং পরবর্তীতে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন।

মামলায় বলা হয়, টঙ্গীতে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নিয়েছিলেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। এই টাকা সিঙ্গাপুরে লেনদেন হয় এবং মামুন সিটি ব্যাংক এনএ-তে নিজের ব্যাংক হিসাবে জমা দেন। পরে, এ টাকার মধ্যে তারেক রহমান ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন।

মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার মধ্যে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের এজেন্ট ডেবরা লেপরোভেটও ছিলেন। তবে আপিল বিভাগের রায়ে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে দুই আসামির বিরুদ্ধে সকল দণ্ড বাতিল করা হয়েছে।