ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

‘আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে, না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 617

ছবি সংগৃহীত

 

 

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে মুখর হয়ে উঠেছে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়। সোমবার (২৬ মে) সকাল থেকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের উদ্যোগে জোরালো প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  পশ্চিম তীরে সহিংসতার পর ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

সকাল ১১টার দিকে পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সচিবালয়ের মূল ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। পরে আরও একটি অংশ যোগ দেয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মো. নূরুল ইসলাম ও মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

সমাবেশে মো. বাদিউল কবীর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না। দেশের প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও বিভাগে কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ করে এই কালো আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে আজই আইন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসে সমাধানের পথ বের হবে।

তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি, আজ আইন উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে বসবেন এবং যে সব ধারা সাধারণ কর্মচারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করে সেগুলো বাতিল করা হবে।”

পরিষদের নেতা মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক সচিব এই আইন করে কর্মচারীদের দমন করতে চেয়েছে। জনপ্রশাসন সচিব নিজে মামলা থাকা অবস্থায় কীভাবে অফিস করেন? তিনি এই আইন করে দ্বিচারিতা করেছেন।”

তিনি দাবি করেন, এই আইন বাতিল না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে এবং জড়িত সচিবদের পদত্যাগ চাই। একইসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের দাবিও জানান তিনি।

পরিষদের মহাসচিব মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “এই কালো আইন জনবিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত। আইন প্রত্যাহার না হলে আগামীকাল থেকে তিনদিন ছুটি নিয়ে সচিবালয়ে কর্মচারীরা অনুপস্থিত থাকবেন।”

পরিশেষে পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর জানান, আজ দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাদামতলায় কর্মচারীদের জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে, না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না’

আপডেট সময় ০৪:০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

 

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে মুখর হয়ে উঠেছে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়। সোমবার (২৬ মে) সকাল থেকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের উদ্যোগে জোরালো প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  পারমাণবিক কর্মসূচিতে বিধিনিষেধ মানতে প্রস্তুত ইরান, শর্ত শুধু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

সকাল ১১টার দিকে পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সচিবালয়ের মূল ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। পরে আরও একটি অংশ যোগ দেয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মো. নূরুল ইসলাম ও মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

সমাবেশে মো. বাদিউল কবীর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না। দেশের প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও বিভাগে কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ করে এই কালো আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে আজই আইন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসে সমাধানের পথ বের হবে।

তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি, আজ আইন উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে বসবেন এবং যে সব ধারা সাধারণ কর্মচারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করে সেগুলো বাতিল করা হবে।”

পরিষদের নেতা মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক সচিব এই আইন করে কর্মচারীদের দমন করতে চেয়েছে। জনপ্রশাসন সচিব নিজে মামলা থাকা অবস্থায় কীভাবে অফিস করেন? তিনি এই আইন করে দ্বিচারিতা করেছেন।”

তিনি দাবি করেন, এই আইন বাতিল না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে এবং জড়িত সচিবদের পদত্যাগ চাই। একইসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের দাবিও জানান তিনি।

পরিষদের মহাসচিব মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “এই কালো আইন জনবিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত। আইন প্রত্যাহার না হলে আগামীকাল থেকে তিনদিন ছুটি নিয়ে সচিবালয়ে কর্মচারীরা অনুপস্থিত থাকবেন।”

পরিশেষে পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর জানান, আজ দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাদামতলায় কর্মচারীদের জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।