ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

মিয়ানমারে সহায়তার সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচিত সরকার: ফারুক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 242

ছবি: সংগৃহীত

 

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক বলেছেন, মিয়ানমারে মানবিক সহায়তা পাঠাতে করিডরের দরকার নেই। বাংলাদেশের নিজস্ব সক্ষমতা রয়েছে, যা দিয়েই এই সহায়তা দেওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, যা দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে পরিণত হতে পারে।

বুধবার (৭ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ ৩০ দলের অংশগ্রহণে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শুরু

জয়নুল ফারুক বলেন, “ড. মুহাম্মদ ইউনূস এদেশের জন্য সম্মান এনেছেন। অথচ তাকে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এটি দেশের জন্য কল্যাণকর নয়।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশে সংস্কারের নামে শুধু সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এর আড়ালে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চলছে, যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন ও জনগণের মতপ্রকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়। অথচ কিছু মহল দাবা খেলার মতো করে রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে।

ফারুক আরও বলেন, “জনগণ আর শেখ হাসিনাকে চায় না। বিচার না হওয়া পর্যন্ত দেশের মানুষ তাকে ফিরতে দেবে না। দেশের ৭১ ভাগ মানুষ নির্বাচন চায় এটা স্পষ্ট। তাই এমন কোনো সংস্কার গ্রহণ করা যাবে না, যার ফলে ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ পেয়ে যায়।”

তিনি আরও বলেন, জনগণের ইচ্ছাই দেশের মূল চালিকা শক্তি। তাই নির্বাচিত সরকারকেই দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার থাকতে হবে। কোনো অনির্বাচিত শক্তি কিংবা অগণতান্ত্রিক পন্থায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দেশ চরম বিপদের মুখে পড়তে পারে।

সমাবেশে অন্যান্য নেতারাও বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারকে দায়ী করে বলেন, জনগণের দাবি অনুযায়ী নির্বাচনই এখন একমাত্র সমাধান। অগণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এই সমাবেশের মাধ্যমে নেতারা জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কারণ দেশ এখন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মিয়ানমারে সহায়তার সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচিত সরকার: ফারুক

আপডেট সময় ০২:২০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

 

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক বলেছেন, মিয়ানমারে মানবিক সহায়তা পাঠাতে করিডরের দরকার নেই। বাংলাদেশের নিজস্ব সক্ষমতা রয়েছে, যা দিয়েই এই সহায়তা দেওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, যা দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে পরিণত হতে পারে।

বুধবার (৭ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ফের মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে বাংলাদেশী ২ কিশোর আহত

জয়নুল ফারুক বলেন, “ড. মুহাম্মদ ইউনূস এদেশের জন্য সম্মান এনেছেন। অথচ তাকে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এটি দেশের জন্য কল্যাণকর নয়।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশে সংস্কারের নামে শুধু সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এর আড়ালে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চলছে, যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন ও জনগণের মতপ্রকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়। অথচ কিছু মহল দাবা খেলার মতো করে রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে।

ফারুক আরও বলেন, “জনগণ আর শেখ হাসিনাকে চায় না। বিচার না হওয়া পর্যন্ত দেশের মানুষ তাকে ফিরতে দেবে না। দেশের ৭১ ভাগ মানুষ নির্বাচন চায় এটা স্পষ্ট। তাই এমন কোনো সংস্কার গ্রহণ করা যাবে না, যার ফলে ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ পেয়ে যায়।”

তিনি আরও বলেন, জনগণের ইচ্ছাই দেশের মূল চালিকা শক্তি। তাই নির্বাচিত সরকারকেই দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার থাকতে হবে। কোনো অনির্বাচিত শক্তি কিংবা অগণতান্ত্রিক পন্থায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দেশ চরম বিপদের মুখে পড়তে পারে।

সমাবেশে অন্যান্য নেতারাও বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারকে দায়ী করে বলেন, জনগণের দাবি অনুযায়ী নির্বাচনই এখন একমাত্র সমাধান। অগণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এই সমাবেশের মাধ্যমে নেতারা জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কারণ দেশ এখন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে।