ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নবম-দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন: তথ্য উপদেষ্টা রাজশাহীতে ঢালারচর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, বন্ধ রেল যোগাযোগ ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ থেকে সরে আসার আহ্বান, পুতিনকে মোদির বার্তা জার্মানিতে দ্বিতীয় উষ্ণতম গ্রীষ্ম, অতিরিক্ত গরমে প্রাণ গেল প্রায় ১৬ হাজার মানুষের সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস স্বাভাবিক: রিজভী হরমুজ সংকটে নভেম্বর পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ বাতিল রাখছে কাতার এনার্জি রানা প্লাজা নির্মাণে দুর্নীতি মামলায় সোহেল রানাসহ ৮ জনের রায় আজ রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৪২, উদ্ধার অস্ত্র ও মাদক ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় মালয়েশিয়ায় ভয়াবহ বায়ুদূষণ কোচসহ ৭ ক্রিকেটারকে ছাঁটাই করল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড

নবম-দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন: তথ্য উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 11

ছবি সংগৃহীত

 

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার নিশ্চয়তা দেওয়া না গেলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সরকার দ্রুত কাজ করবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি জানাতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল

বেসরকারি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের বিষয়টি ‘রিয়েল প্রবলেম’। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংকটসহ এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের পর নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে আলোচনা হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দাবি থাকা দশম ওয়েজ বোর্ডও বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে তিনি একমত।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, ‘একসঙ্গে হবে।’

জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার যথাযথ নিশ্চয়তা দিতে না পারলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া যাবে না। এ বিষয়ে দ্রুত কাজ করার কথাও জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ে মূল্যস্ফীতি ও নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা। তার মতে, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা সহনীয় ও ভালো পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে দেশে দীর্ঘদিন মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে ছিল এবং বর্তমানে তা কিছুটা কমেছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে—বিষয়টি এমন নয়।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন নতুন বেতন স্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে বর্তমান বেতন নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না।

নতুন স্কেলে বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ার বিষয়টি দেখে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে বলে মনে হতে পারে। তবে বাস্তবে অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে ইতোমধ্যে নতুন স্কেলের বেতনের কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার হাতে থাকা বিভিন্ন নীতিগত উপকরণ ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সরকারও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেবে।

মূল্যস্ফীতির চাপে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বর্তমানে নিবিড়ভাবে কাজ চলছে এবং প্রায় নিখুঁত একটি তালিকা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। ৪০ লাখ পরিবারে গড়ে পাঁচজন সদস্য ধরে প্রায় দুই কোটি মানুষকে এই সহায়তার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় দুই কোটি মানুষের কাছে প্রতি মাসে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি, ওএমএস এবং টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতাও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান জাহেদ উর রহমান। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার নিশ্চয়তা দেওয়া না গেলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সরকার দ্রুত কাজ করবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি জানাতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বেসরকারি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের বিষয়টি ‘রিয়েল প্রবলেম’। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংকটসহ এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের পর নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে আলোচনা হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দাবি থাকা দশম ওয়েজ বোর্ডও বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে তিনি একমত।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, ‘একসঙ্গে হবে।’

জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার যথাযথ নিশ্চয়তা দিতে না পারলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া যাবে না। এ বিষয়ে দ্রুত কাজ করার কথাও জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ে মূল্যস্ফীতি ও নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা। তার মতে, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা সহনীয় ও ভালো পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে দেশে দীর্ঘদিন মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে ছিল এবং বর্তমানে তা কিছুটা কমেছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে—বিষয়টি এমন নয়।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন নতুন বেতন স্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে বর্তমান বেতন নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না।

নতুন স্কেলে বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ার বিষয়টি দেখে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে বলে মনে হতে পারে। তবে বাস্তবে অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে ইতোমধ্যে নতুন স্কেলের বেতনের কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার হাতে থাকা বিভিন্ন নীতিগত উপকরণ ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সরকারও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেবে।

মূল্যস্ফীতির চাপে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বর্তমানে নিবিড়ভাবে কাজ চলছে এবং প্রায় নিখুঁত একটি তালিকা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। ৪০ লাখ পরিবারে গড়ে পাঁচজন সদস্য ধরে প্রায় দুই কোটি মানুষকে এই সহায়তার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় দুই কোটি মানুষের কাছে প্রতি মাসে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি, ওএমএস এবং টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতাও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান জাহেদ উর রহমান। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার নিশ্চয়তা দেওয়া না গেলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সরকার দ্রুত কাজ করবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি জানাতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বেসরকারি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের বিষয়টি ‘রিয়েল প্রবলেম’। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংকটসহ এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের পর নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে আলোচনা হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দাবি থাকা দশম ওয়েজ বোর্ডও বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে তিনি একমত।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, ‘একসঙ্গে হবে।’

জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার যথাযথ নিশ্চয়তা দিতে না পারলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া যাবে না। এ বিষয়ে দ্রুত কাজ করার কথাও জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ে মূল্যস্ফীতি ও নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা। তার মতে, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা সহনীয় ও ভালো পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে দেশে দীর্ঘদিন মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে ছিল এবং বর্তমানে তা কিছুটা কমেছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে—বিষয়টি এমন নয়।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন নতুন বেতন স্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে বর্তমান বেতন নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না।

নতুন স্কেলে বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ার বিষয়টি দেখে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে বলে মনে হতে পারে। তবে বাস্তবে অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে ইতোমধ্যে নতুন স্কেলের বেতনের কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার হাতে থাকা বিভিন্ন নীতিগত উপকরণ ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সরকারও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেবে।

মূল্যস্ফীতির চাপে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বর্তমানে নিবিড়ভাবে কাজ চলছে এবং প্রায় নিখুঁত একটি তালিকা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। ৪০ লাখ পরিবারে গড়ে পাঁচজন সদস্য ধরে প্রায় দুই কোটি মানুষকে এই সহায়তার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় দুই কোটি মানুষের কাছে প্রতি মাসে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি, ওএমএস এবং টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতাও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান জাহেদ উর রহমান। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নবম-দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন: তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:০০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার নিশ্চয়তা দেওয়া না গেলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সরকার দ্রুত কাজ করবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি জানাতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  গণমাধ্যমকে সর্বদা নিখুঁত ও নিরপেক্ষ থাকতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

বেসরকারি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের বিষয়টি ‘রিয়েল প্রবলেম’। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংকটসহ এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের পর নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে আলোচনা হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দাবি থাকা দশম ওয়েজ বোর্ডও বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে তিনি একমত।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, ‘একসঙ্গে হবে।’

জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার যথাযথ নিশ্চয়তা দিতে না পারলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া যাবে না। এ বিষয়ে দ্রুত কাজ করার কথাও জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ে মূল্যস্ফীতি ও নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা। তার মতে, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা সহনীয় ও ভালো পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে দেশে দীর্ঘদিন মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে ছিল এবং বর্তমানে তা কিছুটা কমেছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে—বিষয়টি এমন নয়।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন নতুন বেতন স্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে বর্তমান বেতন নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না।

নতুন স্কেলে বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ার বিষয়টি দেখে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে বলে মনে হতে পারে। তবে বাস্তবে অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে ইতোমধ্যে নতুন স্কেলের বেতনের কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার হাতে থাকা বিভিন্ন নীতিগত উপকরণ ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সরকারও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেবে।

মূল্যস্ফীতির চাপে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বর্তমানে নিবিড়ভাবে কাজ চলছে এবং প্রায় নিখুঁত একটি তালিকা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। ৪০ লাখ পরিবারে গড়ে পাঁচজন সদস্য ধরে প্রায় দুই কোটি মানুষকে এই সহায়তার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় দুই কোটি মানুষের কাছে প্রতি মাসে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি, ওএমএস এবং টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতাও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান জাহেদ উর রহমান। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার নিশ্চয়তা দেওয়া না গেলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সরকার দ্রুত কাজ করবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি জানাতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বেসরকারি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের বিষয়টি ‘রিয়েল প্রবলেম’। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংকটসহ এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের পর নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে আলোচনা হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দাবি থাকা দশম ওয়েজ বোর্ডও বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে তিনি একমত।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, ‘একসঙ্গে হবে।’

জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার যথাযথ নিশ্চয়তা দিতে না পারলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া যাবে না। এ বিষয়ে দ্রুত কাজ করার কথাও জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ে মূল্যস্ফীতি ও নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা। তার মতে, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা সহনীয় ও ভালো পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে দেশে দীর্ঘদিন মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে ছিল এবং বর্তমানে তা কিছুটা কমেছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে—বিষয়টি এমন নয়।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন নতুন বেতন স্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে বর্তমান বেতন নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না।

নতুন স্কেলে বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ার বিষয়টি দেখে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে বলে মনে হতে পারে। তবে বাস্তবে অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে ইতোমধ্যে নতুন স্কেলের বেতনের কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার হাতে থাকা বিভিন্ন নীতিগত উপকরণ ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সরকারও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেবে।

মূল্যস্ফীতির চাপে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বর্তমানে নিবিড়ভাবে কাজ চলছে এবং প্রায় নিখুঁত একটি তালিকা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। ৪০ লাখ পরিবারে গড়ে পাঁচজন সদস্য ধরে প্রায় দুই কোটি মানুষকে এই সহায়তার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় দুই কোটি মানুষের কাছে প্রতি মাসে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি, ওএমএস এবং টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতাও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান জাহেদ উর রহমান। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার নিশ্চয়তা দেওয়া না গেলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সরকার দ্রুত কাজ করবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি জানাতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বেসরকারি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের বিষয়টি ‘রিয়েল প্রবলেম’। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংকটসহ এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের পর নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে আলোচনা হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দাবি থাকা দশম ওয়েজ বোর্ডও বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে তিনি একমত।

নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, ‘একসঙ্গে হবে।’

জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার যথাযথ নিশ্চয়তা দিতে না পারলে ভালো সাংবাদিকতা পাওয়া যাবে না। এ বিষয়ে দ্রুত কাজ করার কথাও জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ে মূল্যস্ফীতি ও নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা। তার মতে, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা সহনীয় ও ভালো পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে দেশে দীর্ঘদিন মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে ছিল এবং বর্তমানে তা কিছুটা কমেছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে—বিষয়টি এমন নয়।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন নতুন বেতন স্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে বর্তমান বেতন নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না।

নতুন স্কেলে বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ার বিষয়টি দেখে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে বলে মনে হতে পারে। তবে বাস্তবে অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে ইতোমধ্যে নতুন স্কেলের বেতনের কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার হাতে থাকা বিভিন্ন নীতিগত উপকরণ ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সরকারও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেবে।

মূল্যস্ফীতির চাপে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বর্তমানে নিবিড়ভাবে কাজ চলছে এবং প্রায় নিখুঁত একটি তালিকা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। ৪০ লাখ পরিবারে গড়ে পাঁচজন সদস্য ধরে প্রায় দুই কোটি মানুষকে এই সহায়তার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় দুই কোটি মানুষের কাছে প্রতি মাসে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি, ওএমএস এবং টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতাও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান জাহেদ উর রহমান। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।