সৌদিতে হচ্ছে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের সদর দফতর
- আপডেট সময় ০৯:২৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 16
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে জোটের সদর দফতর স্থাপনে একমত হয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।
সোমবার (৩১ আগস্ট) তুরস্কের ইস্তাম্বুলে তিন দেশের প্রতিনিধিদের প্রথম বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। খবর রয়টার্সের। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জোটের স্থায়ী সচিবালয় স্থাপন করা হবে। প্রথম তিন বছরের জন্য জোটের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন পাকিস্তানের একজন প্রতিনিধি।
বৈঠকে তিন দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সামরিক বাহিনীর প্রধানরা অংশ নেন। বৈঠক শেষে জানানো হয়, সদস্য দেশগুলো যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করতে কাজ করবে।
চলতি আগস্টের শুরুতে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা অন্য দুই দেশের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে।
বৈঠকে জোটের নাম ও সাংগঠনিক কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অন্যান্য মুসলিম দেশকে এই প্রতিরক্ষা কাঠামোয় যুক্ত করার জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরির বিষয়ে একমত হয়েছে তিন দেশ।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, নতুন এই কাঠামো আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা জোটের অন্যতম মূলনীতি।
জোটের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে তিন প্রতিষ্ঠাতা দেশই আগ্রহী। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোর জন্য জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হবে।
এদিকে জোটে সম্ভাব্য নতুন সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের নামও আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, ঢাকা এই জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে আগ্রহী। তিনি বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের এমন একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বা প্রতিরক্ষা কাঠামোয় যুক্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয়।














