আজ বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস; সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ বিশেষজ্ঞদের
- আপডেট সময় ১১:৪২:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
- / 123
আজ ৮ মে, বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযথ গুরুত্বের সাথে দিবসটি পালিত হচ্ছে। থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। এই রোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর প্রতিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই প্রতি বছর এই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালন করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘আর নয় আড়ালে : শনাক্ত হোক অজানা রোগী, পাশে দাঁড়াই অবহেলিতদের’।
দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ বাণী প্রদান করেছেন। বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ নীতি অনুসরণের ওপর জোর দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, থ্যালাসেমিয়া বাহক এবং থ্যালাসেমিয়া রোগী এক নয়। মানবকোষে রক্ত তৈরির দুটি জিনের মধ্যে একটিতে ত্রুটি থাকলে তাকে ‘বাহক’ এবং দুটিতেই ত্রুটি থাকলে তাকে ‘রোগী’ বলা হয়। সাধারণত শিশু জন্মের এক থেকে দুই বছরের মধ্যে এই রোগ ধরা পড়ে। ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, শারীরিক দুর্বলতা, ওজন না বাড়া এবং জণ্ডিস এই রোগের অন্যতম প্রধান লক্ষণ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের জনসংখ্যার ১১.৪ শতাংশ মানুষ এই রোগের বাহক, যা ২০১৪-১৫ সালে ছিল ৭ থেকে ৮ শতাংশ। বর্তমানে দেশে ৬০ থেকে ৭০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নারী ও পুরুষ উভয়ই যদি নিশ্চিত হতে পারেন যে তারা বাহক কি না, তবে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।























