০৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
শিরোনাম :
ফিনল্যান্ডে ডাটা সেন্টারের নির্গত  তাপে গরম হচ্ছে পুরো শহর চীন কোয়ান্টাম কম্পিউটারে সফলতা পেলে যুক্তরাষ্ট্রকে এক নিমেষে প্রস্তরযুগে পাঠিয়ে দেবে যুক্তরাষ্ট্রের F-35 যুদ্ধবিমান প্রকল্পে ফিরে আসার বিষয়ে আরো একধাপ এগিয়ে গেল তুরস্ক: এমনটাই জানিয়েছেন তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক। ফিফার শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হলেন ট্রাম্প ব্রাজিলে অবতরণের পর আগুনে পুড়ল এয়ারবাস এ-৩২০, অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীরা পাক-আফগান সীমান্তে তীব্র গোলাগুলি, উত্তেজনা চরমে আগারগাঁওয়ে বিস্ফোরণ: দগ্ধ একই পরিবারের সাতজন ডিজিটাল গ্রিন কার্ডে মিলবে মালয়েশিয়ার নির্মাণশ্রমিকদের বেতন ঢাকায় জোবাইদা রহমান, বেগম জিয়ার সর্বশেষ অবস্থা ক্যারিবিয়ান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিহত ৪

জাতিসংঘ মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভাবে কাজ করতে চায় : ফরিদা আখতার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • / 62

ছবি সংগৃহীত

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভাবে কাজ করতে চায় । এর এই কারণেই তারা মানবাধিকার অফিস স্থাপন করতে চায়। তাদের মানবাধিকার অফিস স্থাপন মানে খারাপ কিছু নয়। এটা এই বার্তা দেয় না যে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি খারাপ।

রবিবার (২৭ জুলাই) সাভারের গণস্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচএ ভবনে আয়োজিত ‘জুলাই স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা’য় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞাপন

ফরিদা আখতার বলেন, “জাতিসংঘের অফিস থাকলে সেটা একটি স্বচ্ছতার জায়গা তৈরি করে। কে ক্ষমতায় আছে বা আসবে—সেটা মুখ্য নয়, বরং আমরা সরকার হিসেবে মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই সব নাগরিকের অধিকার সংরক্ষিত হোক।”

তিনি আরও বলেন, “বিগত সরকারগুলোর আমলে আমরা দেখেছি কিভাবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। সেই সময় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রতিবেদন করেছে, দলিলভিত্তিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। যার ফলে সেসব সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রমাণিত হয়েছে।”
বর্তমান সরকারের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার কারও প্রতি অহেতুক কঠোর হতে চায় না। কখনও কখনও যখন পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত কিছু করে ফেলে, তখনও আমরা চেষ্টা করি সহনশীল আচরণ বজায় রাখতে।”
“সমাজে জনরোষ বা মবের ঘটনা বাড়ার পেছনে নানা কারণ থাকে। এসব কারণ চিহ্নিত করে প্রতিকার করা গেলে সেসব ঘটনা কমবে। সরকার কোনো অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় দমনমূলক নীতি গ্রহণে আগ্রহী নয়,”—যোগ করেন তিনি।
মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর থাকলে আমাদের জবাবদিহিতা আরও বাড়বে, এটা খারাপ কিছু নয়। এতে করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের অগ্রগতি তুলে ধরাও সহজ হবে।”

আলোচনা সভায় গণবিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্মৃতিচারণ করেন বিভিন্ন বক্তা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘ মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভাবে কাজ করতে চায় : ফরিদা আখতার

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভাবে কাজ করতে চায় । এর এই কারণেই তারা মানবাধিকার অফিস স্থাপন করতে চায়। তাদের মানবাধিকার অফিস স্থাপন মানে খারাপ কিছু নয়। এটা এই বার্তা দেয় না যে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি খারাপ।

রবিবার (২৭ জুলাই) সাভারের গণস্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচএ ভবনে আয়োজিত ‘জুলাই স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা’য় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞাপন

ফরিদা আখতার বলেন, “জাতিসংঘের অফিস থাকলে সেটা একটি স্বচ্ছতার জায়গা তৈরি করে। কে ক্ষমতায় আছে বা আসবে—সেটা মুখ্য নয়, বরং আমরা সরকার হিসেবে মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই সব নাগরিকের অধিকার সংরক্ষিত হোক।”

তিনি আরও বলেন, “বিগত সরকারগুলোর আমলে আমরা দেখেছি কিভাবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। সেই সময় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রতিবেদন করেছে, দলিলভিত্তিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। যার ফলে সেসব সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রমাণিত হয়েছে।”
বর্তমান সরকারের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার কারও প্রতি অহেতুক কঠোর হতে চায় না। কখনও কখনও যখন পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত কিছু করে ফেলে, তখনও আমরা চেষ্টা করি সহনশীল আচরণ বজায় রাখতে।”
“সমাজে জনরোষ বা মবের ঘটনা বাড়ার পেছনে নানা কারণ থাকে। এসব কারণ চিহ্নিত করে প্রতিকার করা গেলে সেসব ঘটনা কমবে। সরকার কোনো অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় দমনমূলক নীতি গ্রহণে আগ্রহী নয়,”—যোগ করেন তিনি।
মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর থাকলে আমাদের জবাবদিহিতা আরও বাড়বে, এটা খারাপ কিছু নয়। এতে করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের অগ্রগতি তুলে ধরাও সহজ হবে।”

আলোচনা সভায় গণবিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্মৃতিচারণ করেন বিভিন্ন বক্তা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।