ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিস্তা মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে এ বছরই: উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 547

ছবি: সংগৃহীত

 

তিস্তা মহাপরিকল্পনা এ বছরের মধ্যেই চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, এখন পরিকল্পনার নীতিগত দিকগুলো চূড়ান্ত করার পালা।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  পরিবেশ রক্ষায় সবার অংশগ্রহণ জরুরি: উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা একটি দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ। এটি চীন ও বাংলাদেশের যৌথ প্রকল্প। ফলে এর বাস্তবায়নে উভয় দেশের সম্মতি ও সমন্বয় জরুরি। তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমরা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় অনেকদূর এগিয়েছি। আগামী ১৭ জুলাই বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে।”

তিনি আরও জানান, এই আলোচনার ভিত্তিতেই পরিকল্পনার খসড়া প্রস্তাবনা সরকারে উপস্থাপন করা হবে। পরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) তা চূড়ান্ত করে চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবে। চীনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে।

এসময় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, পরিকল্পনার সকল ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হলে তিস্তা অববাহিকার উন্নয়ন এবং নদী ব্যবস্থাপনায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।

সৈয়দপুরে ব্রিফিং শেষে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান সড়কপথে কুড়িগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক মো. নায়িরুজ্জামান, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর-ই আলম সিদ্দিকী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে নদীর নাব্যতা রক্ষা, কৃষি উন্নয়ন, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও টেকসই পরিবেশ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি মডেল গড়ে তোলার আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তিস্তা মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে এ বছরই: উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান

আপডেট সময় ০২:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

 

তিস্তা মহাপরিকল্পনা এ বছরের মধ্যেই চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, এখন পরিকল্পনার নীতিগত দিকগুলো চূড়ান্ত করার পালা।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা একটি দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ। এটি চীন ও বাংলাদেশের যৌথ প্রকল্প। ফলে এর বাস্তবায়নে উভয় দেশের সম্মতি ও সমন্বয় জরুরি। তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমরা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় অনেকদূর এগিয়েছি। আগামী ১৭ জুলাই বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে।”

তিনি আরও জানান, এই আলোচনার ভিত্তিতেই পরিকল্পনার খসড়া প্রস্তাবনা সরকারে উপস্থাপন করা হবে। পরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) তা চূড়ান্ত করে চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবে। চীনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে।

এসময় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, পরিকল্পনার সকল ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হলে তিস্তা অববাহিকার উন্নয়ন এবং নদী ব্যবস্থাপনায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।

সৈয়দপুরে ব্রিফিং শেষে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান সড়কপথে কুড়িগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক মো. নায়িরুজ্জামান, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর-ই আলম সিদ্দিকী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে নদীর নাব্যতা রক্ষা, কৃষি উন্নয়ন, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও টেকসই পরিবেশ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি মডেল গড়ে তোলার আশা করা হচ্ছে।