ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ইলন মাস্কের ‘ছোটলোক’ মন্তব্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • / 524

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন টেক ধনকুবের ইলন মাস্ক পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাদোস্ল সিকোরস্কিকে ‘ছোটলোক’ বলে মন্তব্য করেছেন। ইউক্রেনে স্টারলিংক উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র বাদানুবাদের সময় মাস্ক এই মন্তব্য করেন। খবর বিবিসি।

রোববার এক্সে (টুইটার) সিরিজ পোস্টে এই বাদানুবাদ শুরু হয়। ইলন মাস্ক যখন ইউক্রেনে স্টারলিংক সেবা বন্ধের ইঙ্গিত দেন, তখন সিকোরস্কি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘‘স্টারলিংক বন্ধের হুমকির পর ইউক্রেনে লোকেরা অন্য কোনো ইন্টারনেট সরবরাহকারী খুঁজে নেবে।’’ এর পরিপ্রেক্ষিতে, মার্কিন সিনেটর মার্কো রুবিও পরবর্তী মন্তব্যে বলেন, মাস্ক এমন কিছু বলেননি এবং সিকোরস্কিকে আরও ‘কৃতজ্ঞ’ হতে আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক, ‘ব্যয় কমানো না গেলে দেউলিয়া হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র’: ইলন মাস্ক

এই বিতর্কের শেষে মাস্ক পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘ছোটলোক’ বলে আক্রমণ করেন। মাস্কের মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, বিশেষত যখন তিনি স্টারলিংককে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর ‘মেরুদণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘যদি আমি স্টারলিংক বন্ধ করি, পুরো ফ্রন্টলাইন ভেঙে পড়বে।’’

স্টারলিংক, যা মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি সংস্থা স্পেসএক্সের একটি প্রকল্প, পৃথিবীর দূর্গম এবং যুদ্ধক্ষেত্রের মতো অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট সরবরাহের জন্য খ্যাত। তবে, ইউক্রেনে এই সেবা ব্যবহারের খরচ পোল্যান্ড বহন করছে, এবং এই নিয়ে সিকোরস্কি বলেছেন, ‘‘যদি স্পেসএক্স অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়, আমরা অন্য কোনো সরবরাহকারী খুঁজে নেব।’’ পোলিশ সরকার প্রতিবছর স্টারলিংকের জন্য পাঁচ কোটি ডলার খরচ করছে।

এই বিতর্কের মূল প্রসঙ্গ ছিল, ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এই ইন্টারনেট সেবা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং তা বন্ধ হলে এর প্রভাব কী হতে পারে। সিকোরস্কি দাবি করেছেন, পোল্যান্ড যদি ইউক্রেনে স্টারলিংক সেবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মাস্কের এই মন্তব্য এবং পরবর্তী পাল্টা আক্রমণের মধ্য দিয়ে, ইউক্রেন ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রযুক্তির ভূমিকা আরও জটিল হয়ে উঠছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ইলন মাস্কের ‘ছোটলোক’ মন্তব্য

আপডেট সময় ১১:৩৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

 

মার্কিন টেক ধনকুবের ইলন মাস্ক পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাদোস্ল সিকোরস্কিকে ‘ছোটলোক’ বলে মন্তব্য করেছেন। ইউক্রেনে স্টারলিংক উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র বাদানুবাদের সময় মাস্ক এই মন্তব্য করেন। খবর বিবিসি।

রোববার এক্সে (টুইটার) সিরিজ পোস্টে এই বাদানুবাদ শুরু হয়। ইলন মাস্ক যখন ইউক্রেনে স্টারলিংক সেবা বন্ধের ইঙ্গিত দেন, তখন সিকোরস্কি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘‘স্টারলিংক বন্ধের হুমকির পর ইউক্রেনে লোকেরা অন্য কোনো ইন্টারনেট সরবরাহকারী খুঁজে নেবে।’’ এর পরিপ্রেক্ষিতে, মার্কিন সিনেটর মার্কো রুবিও পরবর্তী মন্তব্যে বলেন, মাস্ক এমন কিছু বলেননি এবং সিকোরস্কিকে আরও ‘কৃতজ্ঞ’ হতে আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের হুমকি ইলন মাস্কের

এই বিতর্কের শেষে মাস্ক পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘ছোটলোক’ বলে আক্রমণ করেন। মাস্কের মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, বিশেষত যখন তিনি স্টারলিংককে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর ‘মেরুদণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘যদি আমি স্টারলিংক বন্ধ করি, পুরো ফ্রন্টলাইন ভেঙে পড়বে।’’

স্টারলিংক, যা মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি সংস্থা স্পেসএক্সের একটি প্রকল্প, পৃথিবীর দূর্গম এবং যুদ্ধক্ষেত্রের মতো অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট সরবরাহের জন্য খ্যাত। তবে, ইউক্রেনে এই সেবা ব্যবহারের খরচ পোল্যান্ড বহন করছে, এবং এই নিয়ে সিকোরস্কি বলেছেন, ‘‘যদি স্পেসএক্স অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়, আমরা অন্য কোনো সরবরাহকারী খুঁজে নেব।’’ পোলিশ সরকার প্রতিবছর স্টারলিংকের জন্য পাঁচ কোটি ডলার খরচ করছে।

এই বিতর্কের মূল প্রসঙ্গ ছিল, ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এই ইন্টারনেট সেবা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং তা বন্ধ হলে এর প্রভাব কী হতে পারে। সিকোরস্কি দাবি করেছেন, পোল্যান্ড যদি ইউক্রেনে স্টারলিংক সেবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মাস্কের এই মন্তব্য এবং পরবর্তী পাল্টা আক্রমণের মধ্য দিয়ে, ইউক্রেন ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রযুক্তির ভূমিকা আরও জটিল হয়ে উঠছে।