ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইউক্রেনকে আমেরিকার ‘৫২তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর পরিকল্পনা!

চুক্তি স্বাক্ষরে জেলেনস্কির অস্বীকৃতি, রোধে আমেরিকা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 485

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন একটি তিক্ত ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে ইউক্রেনকে ‘৫২তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি, যুদ্ধবিরতির পর ইউক্রেনকে সমর্থন দেয়ার নামে আমেরিকা একটি খসড়া চুক্তি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সামনে পেশ করে। তবে, সেই চুক্তিতে সই করতে জেলেনস্কি সাফ না বলে দেন, তার যুক্তি ছিল— ইউরোপ এবং ব্রিটেনের অনুমতি ছাড়া তিনি এমন চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন না।

চুক্তির শর্তাবলী ফাঁস হওয়ার পরই এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ইউক্রেনকে আমেরিকার ‘৫২তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর একটি পরিকল্পনা। চুক্তির কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল—

আরও পড়ুন  জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত পুতিন

ইউক্রেনের সম্পদের নিয়ন্ত্রণ: ইউক্রেনের সমস্ত খনিজ সম্পদ, তেল-গ্যাস এবং বাণিজ্যিক বন্দর থেকে আসা আয়ের ৫০% আমেরিকাকে দিতে হবে।

প্রাধান্য পাবেন আমেরিকা: ইউক্রেনের নতুন খনিজ ও বাণিজ্যিক লাইসেন্সের অগ্রাধিকার আমেরিকা পাবে, এবং অন্য কারও কাছে বিক্রি করার আগে আমেরিকা তার সিদ্ধান্ত জানাবে।

পূর্বশর্তে অর্থনৈতিক চাপ: ইউক্রেনকে মাসিক আয়-ব্যয়ের হিসাব আমেরিকাকে দিতে হবে, যা নিরীক্ষণ করবে একজন আমেরিকাপন্থি অডিটর।

অর্থনৈতিক বাধ্যবাধকতার ফলাফল: শর্তগুলো না মানলে ইউক্রেনের সম্পদ আমেরিকা দখল করতে পারবে।

এই চুক্তির শর্তাবলী দেখে জেলেনস্কি গভীর বিস্ময়ে মন্তব্য করেন, “এটি ইউক্রেনকে পুরোপুরি আমেরিকার হাতে তুলে দেয়ার পরিকল্পনা!” তার এমন মন্তব্যের পরেই, আমেরিকা ক্ষিপ্ত হয়ে ইউরোপীয় নেতাদের হুমকি দিয়ে জানায়, তারা ইউক্রেনকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে দিতে রাজি নয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেনকে আমেরিকার ‘৫২তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর পরিকল্পনা!

চুক্তি স্বাক্ষরে জেলেনস্কির অস্বীকৃতি, রোধে আমেরিকা

আপডেট সময় ০৩:২৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন একটি তিক্ত ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে ইউক্রেনকে ‘৫২তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি, যুদ্ধবিরতির পর ইউক্রেনকে সমর্থন দেয়ার নামে আমেরিকা একটি খসড়া চুক্তি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সামনে পেশ করে। তবে, সেই চুক্তিতে সই করতে জেলেনস্কি সাফ না বলে দেন, তার যুক্তি ছিল— ইউরোপ এবং ব্রিটেনের অনুমতি ছাড়া তিনি এমন চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন না।

চুক্তির শর্তাবলী ফাঁস হওয়ার পরই এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ইউক্রেনকে আমেরিকার ‘৫২তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর একটি পরিকল্পনা। চুক্তির কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল—

আরও পড়ুন  রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে ২০ বছর মেয়াদী কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে

ইউক্রেনের সম্পদের নিয়ন্ত্রণ: ইউক্রেনের সমস্ত খনিজ সম্পদ, তেল-গ্যাস এবং বাণিজ্যিক বন্দর থেকে আসা আয়ের ৫০% আমেরিকাকে দিতে হবে।

প্রাধান্য পাবেন আমেরিকা: ইউক্রেনের নতুন খনিজ ও বাণিজ্যিক লাইসেন্সের অগ্রাধিকার আমেরিকা পাবে, এবং অন্য কারও কাছে বিক্রি করার আগে আমেরিকা তার সিদ্ধান্ত জানাবে।

পূর্বশর্তে অর্থনৈতিক চাপ: ইউক্রেনকে মাসিক আয়-ব্যয়ের হিসাব আমেরিকাকে দিতে হবে, যা নিরীক্ষণ করবে একজন আমেরিকাপন্থি অডিটর।

অর্থনৈতিক বাধ্যবাধকতার ফলাফল: শর্তগুলো না মানলে ইউক্রেনের সম্পদ আমেরিকা দখল করতে পারবে।

এই চুক্তির শর্তাবলী দেখে জেলেনস্কি গভীর বিস্ময়ে মন্তব্য করেন, “এটি ইউক্রেনকে পুরোপুরি আমেরিকার হাতে তুলে দেয়ার পরিকল্পনা!” তার এমন মন্তব্যের পরেই, আমেরিকা ক্ষিপ্ত হয়ে ইউরোপীয় নেতাদের হুমকি দিয়ে জানায়, তারা ইউক্রেনকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে দিতে রাজি নয়।