ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত ২৭

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 39

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাত জেলায় পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদে বোমা হামলা ও পরবর্তী গোলাগুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছয় হামলাকারী, ১৫ পুলিশ সদস্য ও ছয়জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭৫ জন।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জুমার নামাজের সময় কোহাতের পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদের ফটকে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি দিয়ে হামলা চালানো হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় মসজিদের একটি অংশ ধসে পড়ে।

হামলার পর কয়েকজন সন্ত্রাসী পুলিশ সদরদপ্তরের মূল অংশে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের গোলাগুলি শুরু হয়। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ আত্মঘাতী বোমা হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হামলাকারীরা পুলিশ সদরদপ্তর কম্পাউন্ডে ঢোকার চেষ্টা করেছিল।

আরও পড়ুন  ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা ট্রাম্প করেনি: ভারতের স্পষ্ট বার্তা

সংশ্লিষ্ট সূত্র আলজাজিরাকে জানিয়েছে, আহত ৭৫ জনের অধিকাংশই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন। বিস্ফোরণে মসজিদটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পুলিশ সদরদপ্তরের একটি দেয়ালও ধসে পড়ে।

হামলাটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে বিস্ফোরণের শব্দ আশপাশের অনেক দূরের এলাকাতেও শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবানের (টিটিপি) একটি অংশ ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে হামলার দায় স্বীকারের এই দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়নি।

হামলাস্থলটি আফগানিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায়। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানে থাকা তালেবান সরকার টিটিপিকে সহায়তা করে। তবে আফগান সরকার বরাবরই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত ২৭

আপডেট সময় ০৬:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাত জেলায় পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদে বোমা হামলা ও পরবর্তী গোলাগুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছয় হামলাকারী, ১৫ পুলিশ সদস্য ও ছয়জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭৫ জন।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জুমার নামাজের সময় কোহাতের পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদের ফটকে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি দিয়ে হামলা চালানো হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় মসজিদের একটি অংশ ধসে পড়ে।

হামলার পর কয়েকজন সন্ত্রাসী পুলিশ সদরদপ্তরের মূল অংশে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের গোলাগুলি শুরু হয়। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ আত্মঘাতী বোমা হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হামলাকারীরা পুলিশ সদরদপ্তর কম্পাউন্ডে ঢোকার চেষ্টা করেছিল।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৮ সন্ত্রাসী নিহত, প্রাণ গেল এক সৈনিকের

সংশ্লিষ্ট সূত্র আলজাজিরাকে জানিয়েছে, আহত ৭৫ জনের অধিকাংশই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন। বিস্ফোরণে মসজিদটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পুলিশ সদরদপ্তরের একটি দেয়ালও ধসে পড়ে।

হামলাটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে বিস্ফোরণের শব্দ আশপাশের অনেক দূরের এলাকাতেও শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবানের (টিটিপি) একটি অংশ ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে হামলার দায় স্বীকারের এই দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়নি।

হামলাস্থলটি আফগানিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায়। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানে থাকা তালেবান সরকার টিটিপিকে সহায়তা করে। তবে আফগান সরকার বরাবরই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।